শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা:
বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষ জোরদার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে ১৭ বিজিবি। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২২ জুলাই ২০২৫) সাতক্ষীরার শ্যামনগর, দেবহাটা ও কালীগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকায় স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচারসহ অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধের জন্য নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ শাহারিয়ার রাজীব, পিএসসি, সিগন্যালস্-এর দিক নির্দেশনায় একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ছুটিপুর বিওপি কর্তৃক স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সহযোগিতায় অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। বিজিবির ঊর্ধ্বতন দপ্তরের নির্দেশনায় সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল, চেকপোস্ট তল্লাশি, মোবাইল ও ব্লক রেইড পরিচালনা, গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক বিশেষ অভিযান পরিচালনা এবং আশঙ্কাজনক এলাকাগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, "উপরোল্লিখিত কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধে কার্যকর প্রস্তুতি ও তৎপরতা বজায় রাখা হচ্ছে। যে কোনো ধরনের চোরাচালান বা পাচার প্রচেষ্টাকে প্রাথমিক পর্যায়েই প্রতিহত করা সম্ভব হচ্ছে। বিজিবির সদস্যরা দিবা-রাত্রি সকল প্রতিকূল পরিবেশে মাতৃভূমি রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করে আসছে। সীমান্তে মাদক, অবৈধ চোরাচালানি মালামাল এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধকল্পে বিজিবি 'জিরো টলারেন্স নীতি' কঠোরভাবে অনুসরণ করছে এবং এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব ও কর্তব্য সুচারুরূপে পালন করার জন্য সকলের সক্রিয় সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করছি।"
এই উদ্যোগের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তারা বিজিবির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন। এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় অপরাধ দমন সহজতর হবে বলেও ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।