সাতক্ষীরায় ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার এক নারী, পুলিশের তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

সাতক্ষীরায় ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার এক নারী, পুলিশের তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: avatar   
সাতক্ষীরায় ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার এক নারী, পুলিশের তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য..
সাতক্ষীরায় ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার এক নারী, পুলিশের তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য..
ছবি: সংগৃহীত
সাতক্ষীরায় মধুসূদন কর্মকারের বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগে মাছুরা বেগম গ্রেপ্তার। পুলিশি তদন্তে উঠে এল তার অপরাধ জগতের তথ্য..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মধুসূদন কর্মকারের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে মাছুরা বেগম (২৭) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই '২৫) তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মাছুরা বেগম শ্যামনগর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের আবু বক্কর গাজীর মেয়ে এবং আব্দুস সোবহানের স্ত্রী। গ্রেপ্তারের সময় তার পাঁচ বছরের মেয়ে নেহা আক্তার তুষ্টিও তার সাথে ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাছুরা বেগম সাতক্ষীরা শহরের পুরাতন সাতক্ষীরাস্থ জামায়াত অফিসের বিপরীত গলিতে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন অনৈতিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ইয়াবা বিক্রির মামলা রয়েছে। এরই জেরে তিনি কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন ডাকাত দলের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন। ডাকাত দলের এক সদস্যের সাথে তার বিয়ে হয় এবং তিনি ডাকাত দলের সর্দারনী হিসেবে পরিচিতি পান। 

পুলিশ জানায়, মধুসূদন কর্মকারের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় জড়িতদের সাথে মাছুরা বেগমের সখ্যতা ছিল এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার তার কাছে গচ্ছিত রাখা হয়। পরবর্তীতে তিনি এসব স্বর্ণালংকার অজ্ঞাতস্থানে বিক্রি করেন। তদন্তকালে পুলিশ মোবাইল প্রযুক্তি ও অন্যান্য কৌশল ব্যবহার করে তার জড়িত থাকার প্রমাণ পায়। 

এক বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, মাছুরা শ্যামনগরের একটি জুয়েলার্স দোকানে কিছু স্বর্ণের গহনা বিক্রি করেছেন। এছাড়া, তার বাসায় বিভিন্ন প্রকার অস্ত্র ও মাদক থাকার তথ্যও পাওয়া গেছে। 

গত ৫ জুলাই রাতে কালিগঞ্জের মধুসূদন কর্মকারের বাড়িতে ৫-৬ জন ডাকাত প্রবেশ করে তাকে ও তার স্ত্রীসহ এক ভাইকে গুরুতর আহত করে এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এ ঘটনায় মধুসূদন কর্মকার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। 

এছাড়া মাছুরার বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় আরও পাঁচটি মামলা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার অপরাধ জগতের পরিসর ও অন্যান্য জড়িতদের সম্পর্কে আরও তদন্ত করছে। সমাজ-সাংস্কৃতিক ও আইনগত প্রেক্ষাপটে এ ধরনের অপরাধের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং এর ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়েও ভাবা হচ্ছে।

Nessun commento trovato


News Card Generator