আব্দুল কাইয়ুম নাহিদ
সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের চেঙ্গাইন এলাকায় এশিয়ান হাইওয়ের (ঢাকা বাইপাস) পাশে অলিম্পিক বিস্কুট ফ্যাক্টরির দক্ষিণ পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
পুলিশ জানায়, রাত্রিকালীন দায়িত্ব পালনকালে তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মামুন ও তাঁর সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যরা মরদেহটি দেখতে পান। খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক ও তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক এইচ এম জসিম উদ্দিন ঘটনাস্থলে যান। পরে তাঁরা মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। এ সময় হাবিবুল্লাহর বুকের ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
মরদেহের পকেটে থাকা পরিচয়পত্রের মাধ্যমে হাবিবুল্লাহর পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। পরে পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হলে তাঁর ছোট বোন মিলি আক্তার মরদেহটি শনাক্ত করেন।
নিহত হাবিবুল্লাহ নারায়ণগঞ্জ সদর থানার দেওভোগ এলাকার মোশাররফ হোসেন ও নাজমা বেগমের ছেলে। তাঁর ভাগিনা সিফাত জানান, হাবিবুল্লাহ দেওভোগ এলাকার একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতেন। প্রায় দেড় বছর আগে পড়াশোনা ছেড়ে বাবার সঙ্গে ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ শুরু করেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হন হাবিবুল্লাহ। এরপর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না বলে জানিয়েছে পরিবার।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল বারিক জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চল অধ্যুষিত এই এলাকায় একের পর এক এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা জনমনে চরম নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি করছে।