অর্থাভাব আর উন্নত চিকিৎসার অভাবে যখন তার জীবন সন্নিকটে, ঠিক তখনই আশার আলো নিয়ে পাশে দাঁড়ালেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১ মাস যাবত পা পচনের তীব্র যন্ত্রণা নিয়ে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলো রনা রংদী। অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা করতে পারছিলো ন। রনা রংদীর করুণ অবস্থার কথা জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার। তার এই মানবিক উদ্যোগে অসহায় পরিবারটির মাঝে স্বস্তির ছায়া নেমে এসেছে। শুক্রবার(১৪ আগষ্ট) রনা রংদীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেলে পাঠানো হয়। আজ শনিবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রনা রংদীর পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে।
রনা রংদী বলেন "দীর্ঘদিন ধরে পায়ের এই পচনের যন্ত্রণায় আমি তিলে তিলে কষ্ট পাচ্ছিলাম। যন্ত্রণার রাতে যখন ছটফট করতাম, তখন মনে হতো আমার পাশে দাঁড়ানোর বা দেখার মতো হয়তো আর কেউ নেই। চিকিৎসার খরচ চালানো আমার মতো একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে একদম অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। আশার আলো যখন প্রায় নিভে আসছিল, ঠিক তখনই মাননীয় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন।
তিনি শুধু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেননি, আমার চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব নিয়ে আমার বুকে আবার বেঁচে থাকার আশা জাগিয়েছেন। উনার এই মহানুভবতা ও ভালোবাসার কথা আমি কখনো ভুলব না। আজ আমার মনে হচ্ছে, ঈশ্বর হয়তো আমাকে একেবারেই একা ফেলে দেননি। উনার মতো দরদী মানুষ পাশে থাকলে আমার মতো অসহায় মানুষরাও আবার ভালো হয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখতে পারে।
অসুস্থ রনা রংদীর চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নিয়ে কায়সার কামাল জানান, "মানুষের সেবায় এগিয়ে আসাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। রনা রংদী যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি । আসুন আমরা উনার জন্য দোয়া করি যেন পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে । মানবতার কল্যাণে আমাদের কাজ অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ ।