সকালেই সড়কপথে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সফরে তিনি কিশোরগঞ্জ সদর, কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী
সফরের শুরুতে পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।
এরপর কটিয়াদী উপজেলার কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১টার দিকে আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউশন মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এ আয়োজনে মৎস্য খাতে অবদান রাখা ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মৎস্য পুরস্কার দেওয়ার কথা রয়েছে।
দুপুরের বিরতির পর বিকেলে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অনুদান ও সম্মানী প্রদান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। একই অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন তিনি।
এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সফর ঘিরে প্রস্তুতি
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের সদর, কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সড়ক সংস্কার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যার দিকে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার উদ্দেশে কিশোরগঞ্জ ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
সূত্র: বাসস ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম