সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শিবসা নদীর আদাচাই ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন কালীর খাল এলাকার বনে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় ওই দস্যু প্রধানকে।
আটক দস্যুর কাছ থেকে দুটি একনলা বন্দুক ও পাঁচ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (বিএন) সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানিয়েছেন।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা সাব্বির আলম সুজন জানান, কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন মোংলার গোয়েন্দা বিভাগের অনুসন্ধানে প্রথমে বনদস্যু মেজ জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানের অবস্থান সনাক্ত করা হয়। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ পরিচালনা করা হয়। সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আভিযানিক দলটি সুন্দরবেনর শিবসা নদীর আদাচাই ফরেস্ট অফিসসংলগ্ন কালীর খাল এলাকা থেকে দস্যু বাহিনীর প্রধান জাহিদুল ইসলাম ওরফে মেজ জাহাঙ্গীরকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করতে সক্ষম হয়। আটক দস্যু প্রধান নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার বাসিন্দা।
কোস্টাগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা আরো জানিয়েছেন, জাহিদুল ওরফে মেজ জাহাঙ্গীর নিজেই একটি দস্যু বাহিনী গঠন করে দীর্ঘদিন যাবৎ সুন্দরবনের জেলে-মৌয়ালদের নির্যাতন ও অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় এবং চাঁবাজি করে আসছিলেন। এই দস্যু প্রধান পূর্বের আত্মসর্ম্পণকারী অথবা তার নামে এর আগে কোনো মামলা আছে কী না তা খতিয়ে দেখা হবে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তুতি চলছে।
সুন্দরবন সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ ও ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ চলমান থাকবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।



















