সীতাকুণ্ডে নির্বাচনী প্রচারণাকালে নারী কর্মী হেনস্তার অভিযোগে স্মারকলিপি প্রদান..

MOHAMMAD JAMSHED ALAM avatar   
MOHAMMAD JAMSHED ALAM
সীতাকুণ্ডে নির্বাচনী প্রচারণাকালে নারী কর্মী হেনস্তার অভিযোগে স্মারকলিপি প্রদান..

সীতাকুণ্ডে নির্বাচনী প্রচারণাকালে নারী কর্মী হেনস্তার অভিযোগে স্মারকলিপি প্রদান

মোহাম্মদ জামশেদ আলম
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

সীতাকুণ্ডে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণাকালে নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বুধবার (২৮ জানুয়ারি) হেনস্তার শিকার নারী কর্মীরা ন্যায়বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণকালে মহিলা জামায়াতের নারী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাধা দেওয়া, অশালীন মন্তব্য, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মানসিকভাবে হেনস্তা করা হয়। একই সঙ্গে তাদের সাংগঠনিক কাগজপত্র কেড়ে নেওয়া এবং মিথ্যা অপবাদ দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।

ভুক্তভোগীরা জানান, এসব ঘটনার ফলে নারী কর্মীদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার বিকেলে উপজেলা মহিলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলামের কাছে লিখিত স্মারকলিপি দেন। পাশাপাশি সীতাকুণ্ড মডেল থানা ও র‍্যাব কার্যালয়েও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্বাচনী প্রচারণায় নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকাল চারটার দিকে সীতাকুণ্ড পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ইদিলপুর গ্রামের জেবল হোসেনের বাড়িতে গণসংযোগ চলাকালে বিএনপি নেতা নাজমুল আলম সোহাগ ও যুবদল কর্মী আরিফ হোসেন সেখানে এসে হট্টগোল সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা মহিলা জামায়াতের ওয়ার্ড দায়িত্বশীল মোর্শেদা বেগমকে গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এ সময় নারী কর্মীদের আইডি কার্ড নেওয়া, বিকাশ নম্বর লিপিবদ্ধ করা এবং ভবিষ্যতে ওই এলাকায় আর না আসার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা মহিলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেহানা বেগম বলেন,
“নির্বাচনে সবার সমান অধিকার রয়েছে। অন্য দলের নারী কর্মীরা নিয়মিত প্রচারণা চালালেও আমাদের নারী কর্মীদের পরিকল্পিতভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও নেকাব খুলতে বলার মতো লজ্জাজনক ঘটনাও ঘটেছে।”

তিনি জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 
لم يتم العثور على تعليقات


News Card Generator