সিইসি কি নির্বাচন কারচুপি করতে চায়— প্রশ্ন সারোয়ার তুষারের..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
সিইসি কি নির্বাচন কারচুপি করতে চায়— প্রশ্ন সারোয়ার তুষারের..
সিইসি কি নির্বাচন কারচুপি করতে চায়— প্রশ্ন সারোয়ার তুষারের..
Sarwar Tushar, Joint Convener of the National Citizens Party, raises serious questions about the Election Commission's conduct, alleging irregularities in the electoral process that are causing p..

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার সম্প্রতি এক টেলিভিশনের টক শোতে প্রশ্ন তোলেন, “সিইসি কি আসলেই নির্বাচন কারচুপি করতে চায়?” তিনি বলেন, “কেন তারা পূর্বে নির্বাচনী সংস্কার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিল? তারা বলেছিল, এসব প্রয়োজন নেই। এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব এবং নির্বাচন ব্যবস্থা, যেমন আরপিও সংশোধনী, তাদের আগ্রহ দেখা যায়নি। কঠোর আরপিওর মধ্য দিয়ে আমাদের বাধ্য করা হয়েছে।

মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)

সরাসরি কেনাকাটা করুন
সবগুলো দেখুন

সারোয়ার তুষার বলেন, “সিইসি বলেছেন, যদি কোনো নির্বাচনী কর্মকর্তা কোনো দলের পক্ষে কাজ করে, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন উল্লেখ করেছে, গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব থাকলেও আপনার মেয়াদ শেষ হলে পরবর্তী নির্বাচনের জন্য আপনাকে বিচারের আওতায় আনা যাবে। ’১৪, ’১৮, ’২৪ সালের মতো ভবিষ্যৎ নির্বাচনের প্রশ্নও এ ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “তাদের পক্ষ থেকে কিছুদিন আগে এমন একটি পার্টিকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে যাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সাংবাদিকরা খুঁজে পায়নি ঢাকা শহরের মধ্যে। অথচ আমাদের জন্য সমস্ত কিছু কঠিন করে দেওয়া হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, উপজেলা অফিসে নির্বাচন কমিশন থেকে ভিজিট আসে। প্রত্যেক উপজেলায় ২০০ ভোটারের তালিকা দেওয়া হয়। আমরা তালিকা দিয়েছি, কিন্তু তারা র‍্যান্ডমলি ফোন করে যাচাই করছে। আমাদের ক্ষেত্রে ফোনে বলা হয়েছে—আপনি কোথা থেকে এসেছেন, আপনার নাম সত্যিই আছে কি না। এরপর হঠাৎ অফিসে এসে কমিশনের কর্মকর্তা যাচাই করছেন। এটা আমাদের প্রতি অনুচিত আচরণ।

সারোয়ার তুষার স্পষ্ট করেছেন যে, এই ধরনের ব্যবস্থাপনা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী দলের জন্য অহেতুক বাধা সৃষ্টি করছে এবং ভোটারদের তথ্য যাচাই প্রক্রিয়ায় ভিন্নমত প্রকাশ করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, “আমরা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা চাই, কিন্তু কমিশনের কঠোরতা আমাদের ওপর অসামঞ্জস্যপূর্ণ চাপ সৃষ্টি করছে। এটি শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নয়, সাধারণ ভোটারদের জন্যও সমস্যা।

তিনি সম্প্রতি বলেন, “নির্বাচন কমিশনের এই আচরণে জনগণ বিভ্রান্ত হচ্ছে। যদি ভোটারদের তথ্য যাচাই করা হয়, এটি স্বচ্ছ হতে হবে, কিন্তু এই ধরনের হঠাৎ ও একপক্ষীয় যাচাই প্রক্রিয়া জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ণ করছে।

নির্বাচন কমিশন এবং রাজনৈতিক দলের মধ্যে এই বিতর্ক দেশের রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তৈরি করেছে। সারোয়ার তুষারের অভিযোগগুলি প্রমাণিত হলে তা আগামী নির্বাচনের উপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

לא נמצאו הערות


News Card Generator