শ্যামনগরে তাপদহে জনজীবন অতিষ্ঠ ,রসাল ফলের চাহিদা বেড়েছে
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
শ্যামনগর (সাতক্ষীরা )প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় তীব্র তাপদহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে। সূর্য উঠার সাথে সাথে গরমের প্রভাব পড়তে শুরু করে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে আরও তাপ দহ বাড়তে থাকে।
উপজেলায় বৃহস্পতিবার(৪ জুন) তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রী। গত তিন চার দিন যাবত একই তাপমাত্রা বিরাজ করছে। দুপুরের দিকে রাস্তা ঘাটে মানুষের চলাচল কমে যায়। প্রচন্ড তাপদহে শ্রমজীবি মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তাপদহের কারণে কৃষিক্ষেতে বা অন্যত্র কাজ করতে যেয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
শ্যামনগর উপজেলা সদরের ভ্যান চালক ফরিদুল ইসলাম বলেন রৌদ্রে ও গরমে নাভিশ^াস অবস্থা। এ অবস্থায় বেলা বাড়লে ভ্যান চালানো কষ্টকর হয়ে পড়ে।
এদিকে প্রচন্ড গরমে কারণে রসাল ফল তাল বীচি(শ্বাস),ডাব, লিচু, আম, তরমুজ সহ অন্যান্য ফলের চাহিদা বেড়েছে। উপজেলা সদরের ফল বিক্রেতা আমিনুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম বলেন গরমে তালের বীচি(শ্বাস) এক কুড়ি সত্তর টাকা, লিচু এক কুড়ি আশি টাকা, একটি ডাব সত্তর থেকে আশি টাকায় বিক্রী হচ্ছে এবং এ ফল গুলির চাহিদা বেড়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। তরমুজ প্রতি কেজি পঞ্চাশ টাকা ও আম বিভিন্ন জাতের পঞ্চাশ থেকে সত্তর টাকা কেজি দরে বিক্রী হচ্ছে।
এদিকে গরমে বিদ্যুতেরও বেহাল অবস্থার কারণে সাধারণ জনসাধারণের ভোগান্তি হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকার কারণে লোডশেডিং বাড়ছে।
তাপদহ ও অশস্তিকর গরমে শিশু থেকে শুরু করে অন্যান্য বয়সীদের মধ্যে জ¦র, ডায়রিয়া ,শারীরিক দুর্বলতা বাড়ছে। শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক শাকির হোসেন বলেন তাপদহের কারণে হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের ভর্তি বেড়েছে। এছাড়া অন্যান্য বয়সের রোগীরাও ভর্তি হচ্ছে বা চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করছে।
অসস্থিকর ও ভ্যাপসা গরমের কারণে সাধারণ মানুষ তাকিয়ে আছে আকাশের দিকে কখন একটু বৃষ্টি নামবে এবং পরিবেশটা নরম হবে।
ছবি- শ্যামনগরে গরমে রসাল ফল বিক্রী বেড়েছে।