গত ৮ এপ্রিল নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান মিলছিল না। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করে এবং তিনজনকে আটক করে। আটকদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, শনিবার বিকেলে একটি বাড়ির গোয়ালঘরের মেঝে খুঁড়ে কংক্রিটের পুরু ঢালাইয়ের নিচ থেকে ইকরামুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তদন্তে জানা গেছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ইকরামুলের স্ত্রী মুন্নি আক্তার এবং তার সহযোগীরা। অভিযোগ উঠেছে, মুন্নি কৌশলে ইকরামুলকে বিয়ে করে তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেন এবং আরও টাকা ও জমির দাবিতে তাকে অপহরণ করান। গত ১৪ মে তাকে গলা কেটে হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে গোয়ালঘরে পুঁতে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে আটক করলেও প্রধান আসামি কাদের এখনো পলাতক রয়েছেন। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। স্থানীয় এলাকাবাসী এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
প্রেরক: জাকির হোসেন, শার্শা,যশোর।।



















