রাণীশংকৈলে হাসপাতালে রোগীর ঢল, বেড নেই মেঝেতেই চলছে চিকিৎসা ..

আব্দুল্লাহ আল নোমান avatar   
আব্দুল্লাহ আল নোমান
****

ঠাকুরগাঁও,সংবাদদাতা।।

নামে ৫০ শয্যার হাসপাতাল, কিন্তু রোগীর সংখ্যা শতাধিক। শুধু একদিনের চিত্র নয়—প্রতিনিয়তই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি রাণীশংকৈলে হলেও এখানে চিকিৎসা নিতে পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকেও প্রতিদিন বহু রোগী আসছেন। ফলে হাসপাতালটিতে ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে রোগীর চাপ।

মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেডের সংকটে অনেক রোগী ফ্লোরে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালের ওয়ার্ডেই নয়, নিচতলাতেও রোগীর ভিড় চোখে পড়ে। শুধু ভর্তি রোগী নয় বর্হি:বিভাগেও বেড়েছে সংখ্যাও।

হরিপুর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা ৭৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ জানান, “তিনদিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছি, চিকিৎসা ভালোই পাচ্ছি। শুনেছি পাশের হাসপাতালের তুলনায় এখানে চিকিৎসা ভালো, তাই এসেছি।”

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিশু থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী রোগীর সংখ্যাই এখানে বেশি। রোগীরা জানান, চিকিৎসা সন্তোষজনক হলেও অনেক প্রয়োজনীয় ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে, যা দরিদ্র রোগীদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। মেঝেতে চিকিৎসা নেওয়া এক রোগীর স্বজন জানান, ছোট হাসপাতাল রোগীর চাপ অনেক। তাই এ হাসপাতালের সিট সংখ্যা বৃদ্ধি করা দরকার। 

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফিরোজ আলম বলেন, রোগীর চাপ অনেক বেশি। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি সেবা দিতে, তবে শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন বলেন,  ৫০ শয্যা হাসপাতাল আর রোগী হচ্ছে দ্বিগুন যার ফলে জনবল ক্রাইসিসের মধ্য দিয়ে আমরা অতিরিক্ত রোগীর সেবা দিয়ে যাচ্ছি। বর্তমানে যে ওষুধ আছে তা যথেষ্ট তবে রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেলে ওষুধের উপর চাপ পড়বে এবং এবিষয়ে আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। হাসপাতালের সেবার মান ধরে রাখতে আমরা  কাজ করে যাচ্ছি এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা। 

 

کوئی تبصرہ نہیں ملا


News Card Generator