প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট বাংলাদেশ এর মঞ্চ থেকে জানানো হয়, আজকের কর্মসূচি থেকে কোনো বক্তৃতা দেওয়া হবে না। এটা স্পট থেকে মিছিল এসে মিলিত হবে। ঘোষণাপত্র পাঠ করা হবে। শুধু জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করবেন। আর সবাই সড়কে নেমে ফিলিস্তিনের পক্ষে সংহতি প্রকাশ করবে।
এদিকে, ইসলামিক স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী বলেছেন, মজলুম গাজাবাসীর প্রতি সংহতি জানাতে, এই মুহূর্তে আছি ‘মার্চ ফর গাজা’র পথে। মানবতার এ মিছিলে আপনিও আসুন প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে।
মাওলানা আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে আহ্বান জানিয়েছেন, মার্চ ফর গাজা। দুপুর ৩ টা থেকে বিকেল ৪ টা। পুরো বাংলাদেশ রাস্তায় নেমে আসুন, সংহতি জানান। ঢাকাবাসী রাস্তার মেহমানদের পানি খাওয়ান। ছবি নিন, ভিডিও করুন, নিজ আইডিতে পোস্ট দিন।
শনিবার সরেজমিন দেখা যায়, এ কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসছে নানা শ্রেণিপেশার মানুষ। ছোট-বড় মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসতে থাকেন তারা। মিছিলে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ লোকের হাতেই রয়েছে বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের পতাকা।
কর্মসূচিতে সকাল থেকেই ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লোকজন আসতে শুরু করে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ঢল নেমেছে সেখানে। সবার কণ্ঠেই যেন এক দাবি- ‘গাজার গণহত্যা বন্ধ করো’, ‘ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াও’।
এই ব্যতিক্রমধর্মী গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হয়েছে গাজায় চলমান বর্বরোচিত ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জনমত গঠন এবং মানবিক সহানুভূতি জাগ্রত করতে।



















