ইরানের আকাশে ভূপাতিত হওয়া যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারের নামে যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত গোপনে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। সোমবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় প্রকাশিত এই সংবাদ বিশ্ব-রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
-
ইউরেনিয়াম চুরির অভিযোগ: ইরানের দাবি অনুযায়ী, আমেরিকা তাদের পাইলটকে উদ্ধার করার জন্য যে দুই ডজন বিমান ও হেলিকপ্টার পাঠিয়েছিল, তার আসল উদ্দেশ্য ছিল নিকটবর্তী একটি পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র বা খনি থেকে ইউরেনিয়াম এবং অন্যান্য গোপন তথ্য চুরি করা।
-
অত্যধিক সামরিক তৎপরতা: ইরানের আইআরজিসি (IRGC) বাহিনী জানাচ্ছে, মাত্র একজন পাইলটকে উদ্ধার করার জন্য এত বড় ধরনের বোমা হামলা এবং সামরিক বিমানের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত অস্বাভাবিক। তারা মনে করছে, এটি আসলে একটি "স্মোকস্ক্রিন" বা ধোঁয়াজাল ছিল, যাতে বিশ্বের চোখ ফাঁকি দিয়ে পারমাণবিক সরঞ্জাম সরানো যায়।
-
আমেরিকার অবস্থান: যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প এই উদ্ধার অভিযানকে "অলৌকিক" বলে অভিহিত করেছেন, তবে ইউরেনিয়াম চুরির এই অভিযোগ পেন্টাগন পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা দাবি করছে যে, তাদের মূল লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র নিখোঁজ সৈন্যকে ফিরিয়ে আনা।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, আমেরিকা বিমান ভূপাতিত হওয়ার এই বিপদকেও নিজেদের ফায়দার জন্য ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।



















