close

ভিডিও আপলোড করুন পয়েন্ট জিতুন!

‎মোংলায় সুন্দরবন দিবস পালিত

রবি ডাকুয়া avatar   
রবি ডাকুয়া
বিশেষ প্রতিনিধিঃ

‎‘সুন্দরবন আমার মা, ধ্বংস হতে দেবো না’ স্লোগানকে সামনে রেখে মোংলায় সুন্দরবন দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে র‌্যালি ও সামবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।..

সামবেশে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

‎শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি)  বিকেলে মোংলা পৌর শহীদ মিনার চত্বরে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।র পরে  সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সুন্দরবনের ক্ষতিসাধনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। সুন্দরবনের বাস্তুসংস্থান রক্ষার জন্য সরকারকে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমাদের নীতি নির্ধারকদের কাছে আজো সুন্দরবন গুরুত্বহীন।

‎মানুষের থাবায় বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন আজ ক্ষতবিক্ষত। বন্যপ্রাণী অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আ্ওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

‎১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকেলে মোংলা পৌর শহীদ মিনার চত্বরে সুন্দরবন দিবসের জনসমাবেশে বক্তারা একথা বলেন।

‎সমাবেশে সর্বস্তরের জনসাধারণ সহ স্থানীয় সকল রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দ যোগদান করেন।এবং সবার বক্তব্য ও মতামত তুলে ধরেন।

‎জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য সচিব ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র সমন্বয়কারী শরীফ জামিল বলেন, ‘প্রতিবছর সুন্দরবন দিবসে আমরা সুন্দরবনকে রক্ষার আহ্বান জানাই। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে সুন্দরবন ততই বিপন্ন হচ্ছে। জাতিসংঘ সরকারকে সুন্দরবনসহ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে কৌশলগত পরিবেশ সমীক্ষা যথাযথভাবে করার পরামর্শ দিয়েছে। আমরা চাই নতুন সরকার অন্তর্ভূক্তিমূলক ও বিজ্ঞানসম্মত একটি স্বচ্ছ সমীক্ষা করবে।

‎রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দূষণ, বিষ দিয়ে মাছ মারা ও অন্যান্য হুমকি থেকে সুন্দরবনের সত্যিকার সুরক্ষা দিবে।’

‎জনসমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়কারী মোঃ নূর আলম শেখ বলেন, ‘সুন্দরবনে প্লাস্টিক পলিথিন দূষণ বেড়ে গেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে লবনাক্ততা বৃদ্ধি ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি প্ওায়াতে সুন্দবনের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কয়লা দূষণ, শিল্প দূষণের কবল থেকে সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হবে। সুন্দরবন বিনাশী কোন ধরনের কর্মকান্ড সহ্য করা হবেনা। সুন্দরবনের দস্যুবৃত্তি বেড়ে গেছে। বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠির জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। জনসমাবেশের আগে সুন্দরবন বিষয়ক শিশু চিত্রাঙ্কন, বাঘ মহড়া, লাঠিখেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।’

‎ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), সুন্দরবন রক্ষায় আমরা, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ ও পশুর রিভার ওয়াটারকপারের আয়োজনে সুন্দরবন দিবসে জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়। সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে জনসমাবেশসহ অন্যান্য অনুষ্ঠানের সহ-আয়োজক ছিলো উত্তরণ, সিএনআরএস, বাদাবন সংঘ ও সার্ভিস বাংলাদেশ।


No comments found


News Card Generator