পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে জশনে জুলুসে স্বাগত র্যালী ও আলোচনা সভা করেছে কর্ণফুলী গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ। শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নামাজ শেষে উপজেলার মইজ্জ্যেরটেক চত্বর প্রাঙ্গণ থেকে র্যালীটি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব পেয়ার মুহাম্মদ কমিশনার, প্রধান বক্তা ছিলেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশর যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ মুহাম্মদ মাহবুবুল হক খান।
এসময় প্রধান অতিথি আলহাজ্ব পেয়ার মুহাম্মদ কমিশনার বলেন, প্রশাসন থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া রোডম্যাপ দেখে মন ক্ষুণ করার কিছুই নেই। জামেয়া থেকে জুলুস বের হয়ে জিইসি মোড় হয়ে জামেয়াতে শেষ হলেও মূলত জুলুস হবে পুরো চট্টগ্রাম ব্যাপী।
কর্ণফুলী গাউসিয়া কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ এয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মাওলানা নুর মুহাম্মদ কাদেরীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, মাওলানা সাদ্দাম হোসেন আলকাদেরী, মাওলানা রফিকুল ইসলাম আনোয়ারী, মাওলানা মুহাম্মদ কুতুব উদ্দীন আলকাদেরী প্রমূখ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, কর্ণফুলী থানা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জি এম মুহাম্মদ কবির, মুহাম্মদ ইলিয়াছ মুন্সী, সদস্য নজরুল ইসলাম, মো. আব্দুল আলিম, মুহাম্মদ লোকমান, মো. ইয়াছিন আরফীত, মুহাম্মদ জানে আলম, হাজী ফজল আহমদ, মুহাম্মদ ফারুক, মুহাম্মদ ইউনুস, ইউনিয়ন শাখার মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন ফারুকী, মুহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম, মুহাম্মদ সালাহ উদ্দীন, মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মুহাম্মদ তৈয়ব, মো. মাসুক আহমদ, মো. জামাল, মো. জানে আলম, মুহাম্মদ জাহেদ, মহিউদ্দীন খান, শে. আবদুল, আরফাত হোসেন, মোঃ ইয়ামিন।
বক্তারা বলেন, মিলাদুন্নবী ইসলামী ঐক্যের প্রতীক, ইসলামী ঐতিহ্যের স্মারক। ইসলামী সংস্কৃতির এক গৌরবময় ও বরকতময় আমল। হাজার বৎসর ধরে পৃথিবীর দেশে দেশে এ ধারা আবহমান কাল থেকে প্রচলিত। মুসলিম বিশ্বের সর্বত্র সমাদৃত। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) মাহফিল আয়োজন, খুশী, আনন্দ, মিলাদ পাঠ ও শ্রবণের ব্যবস্থা বাংলার জমিনে ছড়িয়ে যাক। পরে কর্ণফুলী এজে চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ মাঠে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা সাদ্দাম রেযা।