কোম্পানীগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

Abdullah al Mamun avatar   
Abdullah al Mamun
কোম্পানীগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ
কোম্পানীগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ
গাছ কেটে ক্ষতিসাধন, সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার; পুলিশের অনুমতির দাবিও মিথ্যা

আবদুল্লাহ আল মামুন ঃ নোয়াখালী প্রতিনিধি ..

 

মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)

সরাসরি কেনাকাটা করুন
সবগুলো দেখুন

আজ মুছাপুর ৯ নং ওয়ার্ডে সকাল দশটায় নালিশি জমিতে জোরপূর্বক  ভরাট নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। নালিশি  জমি দীর্ঘচার মাস স্থগিত থাকার পর আবারো জোরপূর্বক মাটি ভরাট  করে মোস্তফা ও তার ছেলে আনোয়ার হোসেন।  এসময় ঘটনাস্থলে সাংবাদিকেরা উপস্থিত হলে সাংবাদিক ও অভিযোগকারী নারীদের উপর তেড়ে আসে এবং হত্যার হুমকি দেয়। অভিযোগকারীরা এতে আতঙ্কে আছেন।

উল্লেখ্য নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ৯ নম্বর ওয়ার্ডে পৈতৃক সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এ ঘটনায় ছকিনা বেগম (৮০) নামে এক বৃদ্ধা কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে আনোয়ার হোসেন (২২) ও মোস্তফাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এর পিছনে ইন্দন দাতা হিসেবে কাজ করছেন তাদের মেয়ের জামাতা সহেল
ছেলে ও নাতির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন এই বৃদ্ধা। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন মুছাপুর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিরোধপূর্ণ জমিতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে আসামিরা মাটি ভরাট শুরু করে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে অন্য দাগের দখল ছেড়ে দিয়ে ক্রয়কৃত সম্পত্তির উপর জোরপূর্বক হস্তক্ষেপ করছে। অভিযোগকারীর দাবি করেন ছোট ছেলের ক্ষরিদকৃত সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা করছে। 

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২ নম্বর আসামি আনোয়ার হোসেন, পিতা-মোস্তফা এবং ১ নম্বর আসামি মোস্তফা, পিতা-মৃত আবুল বাসার, উভয়েই মুছাপুর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তারা সংঘবদ্ধভাবে জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলে এবং জোরপূর্বক মাটি ভরাট করতে থাকে।

ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, জমিতে থাকা ৪টি বড় বটকড়ইগাছ, ১টি নারিকেল গাছ, ৪টি আমগাছসহ বিভিন্ন কাঠগাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এতে প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আজও একইভাবে রাস্তার পাশের বিরোধপূর্ণ জায়গায় মাটি ভরাট করে জমি দখলের চেষ্টা চালায় অভিযুক্তরা। মাটি কাটার খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ২ নম্বর আসামি আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের ওপর তেড়ে আসে এবং উত্তেজিত আচরণ করে। এ সময় সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণ করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংবাদিকদের উপস্থিতিতেও আসামিরা বাদি পক্ষের নারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং বাধা দিতে গেলে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। স্থানীয়দের দাবি, আনোয়ার হোসেন পূর্বে এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল এবং তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনাস্থলে আসামিরা দাবি করেন, তারা পুলিশের অনুমতি নিয়ে কাজ করছেন। তবে কোম্পানীগঞ্জ থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে পুলিশ স্পষ্টভাবে জানায়, এ ধরনের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, আনোয়ার হোসেন ও মোস্তফা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না বলেও জানান স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, তারা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন তারা। এ ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

لم يتم العثور على تعليقات


News Card Generator