এতে খামারের প্রায় এক হাজার মুরগি পুড়ে মারা গেছে এবং মালিকের আনুমানিক ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোরে খানসামা উপজেলার ভাবকী ইউনিয়নের সাবেক গুলিয়াড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রামের বাসিন্দা মনজুরুল ইসলামের মালিকানাধীন ‘মীম পোল্ট্রি খামার’-এ বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোররাতে খামার থেকে হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান তারা।
মুহূর্তের মধ্যেই আগুন খামারের পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। দায়িত্বরত কর্মীদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে পানি ও বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে খামারের বড় একটি অংশ পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত খামার মালিক মনজুরুল ইসলাম বলেন, আগুনে প্রায় এক হাজার মুরগি এবং টিনশেড ঘর, বৈদ্যুতিক সংযোগ, খাবারের মজুত, খাঁচা ও অন্যান্য সরঞ্জাম পুড়ে গেছে। এতে আমার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
ঘটনা নিশ্চিত করে ভাবকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল আলম তুহিন বলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে খামারে আগুন লাগা অত্যন্ত দুঃখজনক।
ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।



















