মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
কাঠালিয়া (ঝালকাঠি): বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতার জন্য হৃদয় থেকে প্রার্থনা জানিয়ে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঠালিয়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী গোলাম আজম সৈকতের উদ্যোগে কাঠালিয়ায় পূর্ণ মনোযোগ সহকারে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বুধবার, বিকালের নরম রোদ মাখা একটি ইভেন্ট হিসেবে, ২৬ নভেম্বর রোজ বুধবার এই গঠনমূলক কার্যক্রমটি অনুষ্ঠিত হয় কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরের প্রাণবন্ত পরিবেশে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির মর্যাদা নিয়ে অসুস্থ বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনা করতে এগিয়ে এসেছিলেন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী গোলাম আজম সৈকত, যিনি তার বক্তব্যে দলের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ও দেশপ্রেমিক ভূমিকা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন মিজানুর রহমান আকন, যিনি কাঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি হিসেবে পরিচিত।
দোয়া-মাহফিল শেষে, রাজপথ যেন প্রকম্পিত হয়ে ওঠে বিশাল এক গণমিছিলের আওয়াজে। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিলে অংশগ্রহণ করে তাদের দৃঢ় অবস্থান প্রদর্শন করেন। ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে কাঠালিয়া শহর জুড়ে ব্যাপক জনসমাগমের মধ্য দিয়ে মিছিলটি বের হয়, আর এসময় নেতাকর্মীদের ঢল যেন এক দুর্দান্ত স্রোতের মতো প্রবাহিত হয়। গোলাম আজম সৈকতের নেতৃত্বে মিছিলটি বাজার, থানা মোড়, শহীদ মিনার, উপজেলা চত্বর ও বাসস্ট্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিজের আওয়াজকে পৌঁছে দেয় বিভিন্ন স্তরে।
পরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে একটি শক্তিশালী বক্তব্য রাখেন গোলাম আজম সৈকত। তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া শুধু রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি গণতন্ত্রের প্রতীক। তাকে সুস্থতার অধিকার থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে—এটি সত্যিই একটি ঘৃণিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। স্বৈরশাসিত সরকার তাকে পরিকল্পিতভাবে ক্ষতির পথে ঠেলে দিয়েছে। আমরা রাজপথে আছি, থাকব।” তার বক্তব্যে স্পষ্ট হয় যে, বিএনপি জনকল্যাণে সম্প্রসারিত করতে চায় উন্নয়ন কাজের পরিধি।
গোলাম আজম সৈকত আরও বলেন, কাঠালিয়া ও রাজাপুরের জনগণ একটি নতুন সূচনা চায়, যেখানে উন্নয়ন, ভোটাধিকার, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, নদীভাঙন প্রতিরোধ, প্রশিক্ষণসহ শিক্ষাখাতে সংস্কার ইত্যাদি অগ্রাধিকার পাবে এবং এসব কাজ যথাযথ ধাপে ধাপে এগিয়ে নেয়া হবে। শান্তিপূর্ণভাবে গণমিছিল ও দোয়া-মাহফিলের কর্মসূচি সম্পন্ন হয়, যা সত্যিকার মানেবক্তব্য ছিল দৃষ্টান্তমূলক।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব যারা তাদের আন্তরিক উপস্থিতি ও সহযোগিতার মাধ্যমে বিএনপির স্নেহভরা পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন। উপস্থিত ছিলেন কাঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি জাকির হোসেন কিসলু সিকদার, সাবেক সহ সভাপতি খায়রুল আলম খোকন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর রহমান ফরাজী, সাতুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আব্দুস শহীদ, মালয়েশিয়া সেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি গোলাম কবির, যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম, কৃষক দল আহবায়ক মালেক তালুকদার, সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম শহীদ, শ্রমিক দল সভাপতি জাকির হোসেন পান্না মুন্সী, মহিলা দল সভানেত্রী লীনা পারভীন, ছাত্রদল নেতা হেলাল জোমাদ্দার, রাজাপুর গালুয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম টুটুল গাজী, ঝালকাঠি জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ও বড়ইয়া বিএনপি নেতা রুবেল তালুকদার, মনির মেম্বার, চেচরীরামপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মান্নান হাওলাদার এবং তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন আতিকুর রহমান পল্লব, পাটিখালঘাটা বিএনপি নেতা কামাল হোসেন, ইসমাইল মাষ্টার, জাকির জোমাদ্দার, আমুয়া বিএনপি নেতা পলাশ গোলদার, সুমন খলিফা, কাঠালিয়া সদর বিএনপি নেতা হালিম সিকদার, মারজু মুন্সি এবং শৌলজালিয়া বিএনপি নেতা কাইয়ুম হাওলাদার, জয়নাল ডাকুয়া, মোশাররফ হোসেন। এছাড়াও, আওরাবুনিয়া বিএনপি নেতা আলম সিকদার, রিপন সিকদার, নাজমুল হাসান রুবেল, ইউনুস মুন্সি, সালাহউদ্দীন রাসেল, রফিক সিকদার, রাজাপুর ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সজল সিকদার, ছাত্রদল নেতা তরিকুল ইসলাম তারেক, রাশেদুল ইসলাম অন্তর, সাকিব, রিদয়, মিঠু প্রমুখ নেতৃবৃন্দ তাদের উপস্থিতি দিয়ে সমাবেশটির গুরুত্ব উল্লেখযোগ্য করে তুলেছেন। তাদের সমর্থন ও উপস্থিতি বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গস্ট হিসেবে স্বাধীনতার চেতনা ও জনগণের স্বার্থরক্ষার প্রগতির প্রতীক হিসেবে আঁকা হয়ে উঠে।
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।