close

ভিডিও দেখুন, পয়েন্ট জিতুন!

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জন্য ২০০ একর জমি হস্তান্তর সম্পন্ন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস..

Zahidul Islam avatar   
Zahidul Islam
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের লক্ষ্যে বরাদ্দকৃত সম্পূর্ণ ২০০ একর জমি এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দখলে। মঙ্গলবার (৩ জুন) ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিমদী মৌজায় অবশিষ্ট ১১.৪০..

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের লক্ষ্যে বরাদ্দকৃত সম্পূর্ণ ২০০ একর জমি এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দখলে। মঙ্গলবার (৩ জুন) ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিমদী মৌজায় অবশিষ্ট ১১.৪০ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে জবি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা এই জমি হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন করে। জমি হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মো. আ. হালিম, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, রেজিস্ট্রার, প্রকল্প পরিচালকসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ছাত্র সংগঠনের নেতারা।

এর আগে, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ২০০ একরের মধ্যে ১৮৮.৬০ একর জমি জবিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে অবশিষ্ট ১১.৪০ একর জমি হস্তান্তর না হওয়ায় দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উন্নয়ন প্রকল্পে স্থবিরতা দেখা দেয়। গত ২ জুন রাতে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

২০১৭ সালে একনেক সভায় অনুমোদিত এই ২০০ একরের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পুরান ঢাকার সীমাবদ্ধ অবকাঠামো ও শিক্ষার পরিবেশ থেকে মুক্তি পাওয়ার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য।

জমি হস্তান্তরের খবরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও আশাবাদ লক্ষ্য করা গেছে।

প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হুমায়রা আবেদীন বলেন,
"আজ আমরা আমাদের পূর্ণাঙ্গ জমি বুঝে পেলাম। আমরা চাই সেনাবাহিনীর মাধ্যমে প্রাথমিক কাজ দ্রুত শেষ করে মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হোক।"

হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম রিফাত বলেন,
"দ্বিতীয় ক্যাম্পাস আমাদের প্রাণের দাবি। আমরা না পারলেও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন পুরান ঢাকার সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত হয়ে সুন্দর ও উন্নত পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারে।"

এই হস্তান্তরের মাধ্যমে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পূর্ণ বাস্তবায়ন এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা আশাবাদী, দ্রুততম সময়ের মধ্যে উন্নয়ন কাজ শুরু করে একটি আধুনিক, বিস্তৃত ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

Inga kommentarer hittades


News Card Generator