রাকিব খান, জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান আসলামের মায়ের রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
দোয়ার আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, মানুষ মৃত্যুবরণ করলে তার সব আমল বন্ধ হয়ে যায়, তবে তিনটি আমল সওয়াব হিসেবে জারি থাকে—এর মধ্যে অন্যতম নেক সন্তান। সন্তানের দোয়া আল্লাহ সবচেয়ে বেশি কবুল করেন। তিনি বলেন, বাবা-মাকে হারানোর পর তাদের জন্য নিয়মিত দোয়া করা সন্তানের দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, বাবা-মাকে আল্লাহ তায়ালা সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত। তাই জীবিত অবস্থায় তাদের কষ্ট না দেওয়া এবং সন্তুষ্ট রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উপাচার্য আরও উল্লেখ করেন, "ছাত্রদল শুধু আন্দোলন সংগ্রামেই সীমাবদ্ধ নয়, ছাত্রদল তাদের সহযোদ্ধা ও সাবেক নেতার মমতাময়ী মায়ের মৃত্যুতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এর আয়োজনও করে।"
মায়ের স্মৃতিচারণ করে মো. আসাদুজ্জামান আসলাম বলেন, বাবা-মায়ের মূল্য অনেকেই তাদের জীবিত অবস্থায় উপলব্ধি করতে পারেন না। ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নেতাকর্মীদের জন্য তাদের বাবা-মা সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকেন, যা তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রভাবিত করে। তিনি উপস্থিত সবার কাছে তার মায়ের জন্য দোয়া কামনা করেন।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জবি শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মঞ্জুর মুর্শেদ ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক এবং সাদা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. আজম খান।
এছাড়া ছাত্রনেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জবি শাখা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম মাওলা শাহীন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জবি শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত, ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ নাসির, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জুলহাস মৃধা, তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. বেলাল হোসেন খানা।
এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মাহফিল শেষে মরহুমার আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।



















