জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল নিষিদ্ধের দাবিতে শুক্রবার সর্বদলীয় সমাবেশ..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল নিষিদ্ধের দাবিতে শুক্রবার সর্বদলীয় সমাবেশ..
জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল নিষিদ্ধের দাবিতে শুক্রবার সর্বদলীয় সমাবেশ..
A grand rally has been called at Shahbagh on September 5, demanding justice for the attack on Nurul Haque Nur, resignation of the Home Adviser, and a nationwide ban on Jatiya Party and the 14-Party Al..

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার বিচার, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ ও জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলকে নিষিদ্ধের দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শাহবাগে সর্বদলীয় সমাবেশ ডাকা হয়েছে।

মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)

সরাসরি কেনাকাটা করুন
সবগুলো দেখুন

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও তীব্র উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। গণ অধিকার পরিষদ এবার বড় ধরনের পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনটি জানায়, তাদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার বিচার না হওয়ায় এবং জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তারা সর্বদলীয় সংহতি সমাবেশের আয়োজন করছে। এই সমাবেশ আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় রাজধানীর শাহবাগে অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে গণ অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক শাকিল উজ্জামান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ২৯ আগস্ট রাজধানীর আল-রাজি কমপ্লেক্সের সামনে নুরুল হক নুর সংবাদ সম্মেলন করার সময় তার ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়। শুধু হামলাই নয়, তাদের দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুরও করা হয়। এ ঘটনায় শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন, যাদের মধ্যে অনেকেই গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

গণ অধিকার পরিষদ অভিযোগ করে বলেছে, সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অথচ হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সর্বজনবিদিত। এ অবস্থায় সংগঠনটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নুরুল হক নুর জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে সামনের সারির যোদ্ধা হিসেবে অবদান রেখেছেন। তার মতো নেতার ওপর এমন নৃশংস আক্রমণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনগণের অধিকারকে আঘাত করার সমান। এটি কেবল ব্যক্তিগত বা দলীয় বিষয় নয়, বরং পুরো জাতির গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার ওপর হামলা।

গণ অধিকার পরিষদ মনে করে, এই হামলার পেছনে আওয়ামী লীগের সহযোগী শক্তি এবং জাতীয় পার্টির হাত রয়েছে। তারা এটিকে নয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করার গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, যারা হামলা চালিয়েছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ সমাবেশ কেবল একটি প্রতিবাদ সভা নয়, বরং এটি হবে সারা দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের ঐক্যের প্রতীক। সেদিন শাহবাগ প্রমাণ করবে, মানুষ আর ফ্যাসিবাদী শক্তিকে মেনে নেবে না।

গণ অধিকার পরিষদ দেশের সকল গণতন্ত্রকামী শক্তি, সমর্থক ও সাধারণ জনগণকে শাহবাগের সমাবেশে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, সহিংসতা ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র চরম সংকটে পড়বে।

এদিকে রাজনৈতিক মহলে এই সমাবেশকে ঘিরে ইতোমধ্যেই নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সমাবেশ কেবল একটি দলীয় উদ্যোগ নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শাহবাগে কী ঘটে এবং জনসাধারণ কতটা অংশ নেয়, তা এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

No comments found


News Card Generator