ইরানের আকাশসীমায় ভূপাতিত হওয়া মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে উদ্ধার করা নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। এনটিভি অনলাইন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাইলট উদ্ধারের আড়ালে আমেরিকা অত্যন্ত গোপনে ইরানের পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র থেকে তথ্য ও ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
-
ট্রাম্পের সফল উদ্ধারের দাবি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, তাদের বিশেষ বাহিনী (Special Forces) অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও ইরানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে তাদের কর্নেল পদমর্যাদার পাইলটকে জীবিত উদ্ধার করে নিয়ে এসেছে। তিনি এই অভিযানকে মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম ‘দুঃসাহসিক’ (Daring) উদ্ধার অভিযান হিসেবে অভিহিত করেছেন।
-
ইরানের ইউরেনিয়াম চুরির অভিযোগ: ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পাইলট উদ্ধারের নামে আমেরিকা আসলে তাদের পারমাণবিক প্রযুক্তি ও মূল্যবান সরঞ্জাম হস্তগত করতে চেয়েছিল। ইরানের মতে, উদ্ধার অভিযানের সময় মার্কিন বিমানগুলো পারমাণবিক কেন্দ্রের আশেপাশে ‘অস্বাভাবিক’ তৎপরতা চালিয়েছে।
-
পেন্টাগনের প্রত্যাখ্যান: পেন্টাগন ইউরেনিয়াম চুরির এই অভিযোগকে পুরোপুরি ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তারা দাবি করছে যে, তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র নিখোঁজ সৈন্যকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা এবং এর সাথে অন্য কোনো উদ্দেশ্য জড়িত ছিল না।
-
তীব্র উত্তেজনা: পাইলট উদ্ধার নিয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকে পরস্পরবিরোধী তথ্য আসায় বিশ্ব-রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।



















