ইলিশের মৌসুমেও গরিবের ভাগ্যে ইলিশ নেই

Alamin hosen suvo avatar   
Alamin hosen suvo
ইলিশের মৌসুমেও গরিবের ভাগ্যে ইলিশ নেই
ইলিশের মৌসুমেও গরিবের ভাগ্যে ইলিশ নেই
জাতীয় মাছ ইলিশে ভরে উঠেছে বাজার। তবে আকাশছোঁয়া দামের কারণে গরিব ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের নাগালের বাইরে চলে গেছে এ মাছ।..

 

মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)

সরাসরি কেনাকাটা করুন
সবগুলো দেখুন

বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ—মৌসুম এলেই দেশের হাট-বাজারে রূপালি ঝিলিক ছড়ায়। ছোট থেকে বড় নানা আকারের ইলিশে সয়লাব হয় মাছের বাজার। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বাজারে ইলিশ থাকলেও গরিব মানুষের ভাগ্যে তা মেলে না।

 

বর্তমানে ইলিশের দাম এতটাই বেশি যে নিম্নআয়ের মানুষের পক্ষে কেনা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এক কেজির উপরের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১,৮০০ থেকে ২,৫০০ টাকায়। মাঝারি সাইজের ইলিশও এক হাজার টাকার নিচে নামছে না। ফলে দরিদ্র পরিবারে এক টুকরো ইলিশও রান্না করা এখন স্বপ্নের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে

 

ভোক্তাদের অভিযোগ—বাংলাদেশ ইলিশের প্রধান উৎপাদক দেশ হলেও এখানকার সাধারণ মানুষ সহজে ইলিশ খেতে পারছে না। প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ইলিশ বিদেশে রপ্তানি করা হয়। এর প্রভাব পড়ে স্থানীয় বাজারে। পাশাপাশি পাইকারি ও খুচরা বাজারের দামের ব্যবধান, সিন্ডিকেট এবং আর্থসামাজিক বৈষম্য ইলিশকে সাধারণ মানুষের জন্য অধরাই বানিয়ে দিয়েছে।

মৌসুমে আগে দরিদ্র পরিবার অন্তত একদিন ইলিশ রান্না করত। এখন তারা শুধু বাজারে দাঁড়িয়ে মাছের ঝলক দেখে ফিরে যায়। হতাশ গরিব মানুষদের অভিযোগ—“বাংলাদেশে ইলিশ ধরা হয়, অথচ দেশের মানুষই ইলিশ খেতে পারে না। ধনীরা প্রতি সপ্তাহেই ইলিশ খায়, কিন্তু গরিবের ভাগ্যে এক টুকরোও ওঠে না।”

 

অর্থনীতিবিদদের মতে, ইলিশকে সবার নাগালের মধ্যে আনতে হলে বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সিন্ডিকেট ভাঙা ও রপ্তানির আগে স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটানো ছাড়া উপায় নেই। তা না হলে জাতীয় মাছ হয়েও ইলিশ গরিব মানুষের কাছে কেবল স্বপ্নের খাবার হিসেবেই থেকে যাবে।

 

 

No comments found


News Card Generator