ইবিতে আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার  উদ্বোধন

Mahfujul Haque Piyas avatar   
Mahfujul Haque Piyas
****

 

 

 

ইবি সংবাদদাতা: 
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিকস (ছাত্র-ছাত্রী) ও বাস্কেটবল (ছাত্র)-২০২৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৪ মে) 
বিকেল সাড়ে ৫টায় কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে 
বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এ প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন। 

এসময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রোভিসি প্রফেসর ড. এম. এ ইয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন এবং ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এম. এ মজিদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। আমাদের জাতীয় খেলোয়াড়দেরকে ক্রীড়া ভাতার আওতায় এনে পেশাগত স্বীকৃতি বাবদ ক্রীড়া ভাতাপ্রদান এবং ক্রীড়া কার্ড ইতিমধ্যে প্রদান করা হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে ৩০০ জনকে দিয়েছি, পর্যায়ক্রমে আমরা ৫০০ জন জাতীয় খেলোয়াড়দেরকে আমরা এই ক্রীড়া ভাতার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করব। এভাবে আমরা তৃণমূল থেকে খেলোয়াড়দেরকে উৎসাহিত করতে, উজ্জীবিত করতে এবং খেলোয়াড়দেরকে পেশাদারিত্বের ভিতরে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আমরা এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। 

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী সিলেট থেকে একযোগে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধন করেছেন। সেখানে আমাদের অনূর্ধ্ব ১২ থেকে ১৪ বছরের আমাদের কিশোর-কিশোরীরা অংশগ্রহণ করছে। আমরা আশা করি আমাদের এই জেলা পর্যায়ের খেলা শেষ করে বিভাগীয় পর্যায়ে শেষ করে জাতীয় পর্যায়ে আমরা সুন্দরভাবে আমরা এই টুর্নামেন্টকে সফলভাবে শেষ করব।।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা মাদকভুক্ত সমাজ গড়তে চাই, বিশেষ করে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, সন্তান সমতুল্য যারা রয়েছেন, তাদেরকে আমরা ডিভাইস থেকে দূরে রাখতে চাই। সেই ডিভাইস থেকে দূরে রাখার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে খেলাধুলা। আগামীর বাংলাদেশে আমরা খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমাদের পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় গুণগত পরিবর্তন আনতে চাই। সেই গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যম হবেন আপনারা যারা এখানে খেলোয়াড় হিসেবে এখানে উপস্থিত হয়েছেন। আপনারা অংশগ্রহণ করবেন। জয়-পরাজয় বড় বিষয় নয়, আমরা অংশগ্রহণ করছি, আমরা আমাদের নিজেদের শারীরিক সুস্থতাকে নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। 

জানা যায়, এবারের আসরে ৩০ টি অ্যাথলেটিকস ইভেন্টের মধ্যে ছাত্রদের জন্য নির্ধারিত ১৯টি হলো, ১০০, ২০০ ও ৪০০ মিটার স্প্রিন্ট এবং ৮০০, ১৫০০, ৫০০০ এবং ১০,০০০ মিটার দৌড়, বর্শা নিক্ষেপ, গোলক নিক্ষেপ, চাকতি নিক্ষেপ, হ্যামার থ্রো, দীর্ঘ লাফ, উচ্চ লাফ, লাফ ধাপ ঝাঁপ, পোল ভোল্ট, ১১০ ও ৪০০ মিটার হার্ডেলস, ৪ x ১০০ এবং ৪ x ৪০০ রিলে। এছাড়াও ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত ১১টি ইভেন্ট হলো— ১০০, ২০০ ও ৪০০ মিটার স্প্রিন্ট, ১০০ মিটার হার্ভেলস, বর্শা নিক্ষেপ, গোলক নিক্ষেপ, চাকতি নিক্ষেপ, উচ্চ লাফ, দীর্ঘ লাফ, ৪ x ১০০ এবং ৪ x ৪০০ রিলে।

এছাড়া এবারের বাস্কেটবল অংশ নেওয়া সাত বিশ্ববিদ্যালয় হলো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

Keine Kommentare gefunden


News Card Generator