মোঃ রায়হান মিয়া, কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৬নং কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দারচর গ্রামে বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মনির হোসেন (৪২) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন ২০২৬ সকালে নূর মিয়ার মাছের প্রজেক্টের উত্তর-পশ্চিম পাড়ে একা অবস্থায় মনির হোসেনকে পেয়ে প্রতিপক্ষ ছানাউল্লাহ ও তার সহযোগীরা তার ওপর হামলা চালায়।
পরিবারের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে শ্বাসরোধের চেষ্টা করে এবং এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।
নিহতের স্ত্রী নুরজাহান বেগম জানান, স্বামীর চিৎকার শুনে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ২০২৬ দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মনির হোসেন মৃত্যুবরণ করেন।
নিহতের স্ত্রী নুরজাহান বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার চারটি সন্তান রয়েছে। এখন তাদের নিয়ে আমি কোথায় যাব? আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। আমি প্রশাসন ও এলাকাবাসীর কাছে এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার পর অভিযুক্ত ছানাউল্লাহ গংয়ের বাড়ির বিভিন্ন মালামাল, হাঁস-মুরগি ও ছাগল তার আপন চাচা করিম কারাজি নিজ বাড়িতে নিয়ে গেছেন। বিষয়টি প্রশাসনের তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ঘটনার পর উভয় পক্ষ তাদের কাছে এসেছিল। তারা প্রথমে আহত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে ফিরলে বিষয়টি নিয়ে বসে সমাধানের চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছিলেন।
কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনির হোসেনের মৃত্যু হয়
এদিকে মনির হোসেনের মৃত্যুর খবরে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতের পরিবার ও স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।