সোমবার (২২ জুন) দুপুরে ঘটনার সরেজমিনে গিয়ে খোঁজ নিয়ে এরকম ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে।
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
স্থানীয়রা জানান,হঠাৎ করে সৃষ্টি হওয়া প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে কয়েকটি বসতঘরের টিনের চালা উড়ে যায় এবং অনেক গোয়ালঘর ভেঙে পড়ে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে। ঝড়ের সময় আতঙ্কিত হয়ে মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়। তবে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে আকস্মিক এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই এমন দুর্যোগে অনেক পরিবার নতুন করে মানবিক সংকটে পড়েছে।
গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য ইসমাইল হোসেন বলেন, “ঘূর্ণিঝড়টি খুব অল্প সময় স্থায়ী হলেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। ১০টি পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকের আংশিক ক্ষতিও হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করছি এবং তাদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের জন্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদাত আহমেদ বলেন, “ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি আমি জেনেছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি বিধি মোতাবেক ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।