মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) পাথরঘাটায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ইরানী আক্তার।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে নারী ভোটারদের মাঝে দাওয়াত পৌঁছাতে গিয়ে বিএনপি ও ধানের শীষের সমর্থকরা জামায়াতের নারী কর্মীদের বিভিন্নভাবে বাধা দিচ্ছে, হেনস্তা করছে এবং ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
তিনি বলেন, গত ২২ জানুয়ারি পাথরঘাটা উপজেলার নাপাড়া এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারণাকালে বিএনপি সমর্থকরা জামায়াতের নারী কর্মীদের পথরোধ করে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং ধর্ষণের হুমকি দেয়। এতে কয়েকজন নারী কর্মী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন বলে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, একই দিন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বরইতলায় উঠান বৈঠকের দাওয়াত দিতে গেলে বিএনপি কর্মী সালাম শরীফ জামায়াতের এক নারী কর্মীকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন। পরদিন তার নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি ওই নারী কর্মীর বাড়িতে হামলার চেষ্টা চালিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
এছাড়া ২৬ জানুয়ারি নাপাড়া ও পাথরঘাটা পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণাকালে জামায়াতের নারী কর্মীদের বাধা দেওয়া, গালিগালাজ এবং ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে এসব ঘটনার কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও দাবি করা হয়।
ইরানী আক্তার বলেন, “নারীরা শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ মত প্রকাশ ও ভোটারদের কাছে দাওয়াত পৌঁছানোর অধিকার রাখে। কিন্তু আমাদের মা-বোনদের যেভাবে হুমকি ও হেনস্তা করা হচ্ছে, তা গণতন্ত্র ও নারীর নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক।”
তিনি এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলন শেষে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।



















