বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহর পক্ষ থেকে আমতলী উপজেলার ৩ নং আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের গেরাবুনিয়া এলাকায় একটি নতুন রাস্তা নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করা হয়েছে। মূলত সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই অবকাঠামো প্রকল্পের কাজের মান এবং অগ্রগতি যাচাইয়ের লক্ষ্যেই এই পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় জনসাধারণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে এই রাস্তাটি নির্মাণ করা হচ্ছে, যা এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়ন এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিচ্যুতি ঘটছে কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করাই ছিল এই পরিদর্শনের প্রধান উদ্দেশ্য।
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমতলী উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা ইউসুফ মাতুব্বর, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ আমতলী উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি কামাল হোসেন বয়াতি এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরগুনা জেলা শাখার স্কুল ও কলেজ সম্পাদক মোঃ জাহিদুল ইসলাম সিকদার। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে নির্মাণ কাজের গুণমান নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরা হয়। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ ও প্রত্যাশা ছিল, যেন রাস্তাটি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং নির্মাণের প্রতিটি পর্যায়ে যেন সরকারি নকশা ও নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ নির্মাণ শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে কাজের ধীরগতি বা উপকরণ সংক্রান্ত কোনো গাফিলতি আছে কি না, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং কাজের মান বজায় রাখার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য প্রদর্শনের সুযোগ নেই। পরিদর্শনে অংশ নেওয়া আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি মোঃ মামুন শিকদার এবং সেক্রেটারি মাওলানা আবু জাফর নিজাম জানান যে, সংসদ সদস্যের কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি প্রকল্পের মান নিশ্চিত করা তাদের নৈতিক দায়িত্ব। তারা স্থানীয় প্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করেছেন যে, প্রকল্পের কাজে কোনো প্রকার অনিয়ম পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের এই যৌথ পরিদর্শন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই ধরণের নিয়মিত পরিদর্শন কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে। রাস্তার কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে গেরাবুনিয়া এলাকাবাসী দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ভবিষ্যতে আমতলী উপজেলার অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এই ধরনের কঠোর তদারকি বজায় থাকলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে এ ধরনের সচেতনতামূলক তদারকি কার্যক্রম আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।