এ ঘটনায় বাঁধা ও ধস্তাধস্তির পর অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে অভিযুক্তের স্ত্রী ভুক্তভোগীকে ইট দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত ২৭ জুলাই সোমবার বরগুনা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নারীর বাবা মো. বাবুল মিয়া। অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন স্থানীয় জান্নাতুল বাক্কী মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানা গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভুক্তভোগী নারী নিজ বাসায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় বাসার দরজা খোলা থাকায় অভিযুক্ত শিক্ষক ইসমাইল হোসেন ঘরে প্রবেশ করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি পেছন থেকে ওই নারীকে জড়িয়ে ধরেন এবং শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। এতে ভুক্তভোগী বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে ভুক্তভোগী নারী অভিযুক্তকে প্রতিরোধ করেন। একপর্যায়ে তিনি অভিযুক্তের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলেন। পরে চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার কিছু সময় পর অভিযুক্তের স্ত্রী নুসরাত সেখানে এসে ভুক্তভোগীকে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর বাবা মো. বাবুল মিয়া বরগুনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে ধর্ষণচেষ্টা, শ্লীলতাহানি এবং হামলার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
জান্নাতুল বাক্কী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক রেদোয়ান ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।” বরগুনা সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা ইউনুস আলী ফরাজী বলেন, “আহত নারীর বাবা মো. বাবুল মিয়া একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।