খাঁন মোঃ আঃ মজিদ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ থানাধীন জালগাঁও এলাকায় বহুল আলোচিত লাইসুর রহমান ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসা, প্রতারণা এবং বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লাইসুর রহমান পিতা মৃত মফির উদ্দিন ও মোছাঃ লিপি আক্তার স্বামী লাইসুর রহমান কৌশলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে ওই এলাকার কিশোর-কিশোরী ও যুবসমাজ মারাত্মকভাবে মাদকের ছোবলে পড়ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
সূত্র আরও জানায়, এর আগে পুরাতন গুচ্ছগ্রাম নাফানগর–বড় সুলতানপুর (১নং ইউনিয়ন পরিষদ) এলাকায় এক ইউপি সদস্য মেম্বারনি মিরা কাশ্মীরির ছত্রছায়ায় থেকে লাইসুর রহমান মাদক কারবার চালাতেন বলে অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে তার পরিবারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, লাইসুর রহমানের মেয়ে আশা আক্তার কে দিয়ে দেবের ব্যবসা সহ একাধিক বিবাহের মাধ্যমে স্বামীদের কাছ থেকে নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ও ঘরের মালামাল আত্মসাৎ করেছেন।
এ বিষয়ে জানা গেছে, ২০২৩ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত আশা আক্তারের ৪ নং স্বামী ভুক্তভোগী বাদী মোঃ আঃ মজিদ খান দিনাজপুর আদালতে ৭টি মামলা দায়ের করেছেন এবং দিনাজপুর কোতোয়ালি থানা ও বোচাগঞ্জ থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং বিভিন্ন পুলিশ প্রশাসনের দপ্তরে নিম্নলিখিত অভিযোগ প্রয়োগ করেছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্তরা মামলা প্রত্যাহার না করলে দুই শিশু কন্যা ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ফেরত দেবে না বলে হুমকি দিয়েছেন। এমনকি পুলিশের উপস্থিতিতেই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।
বাদী আঃ মজিদ খান আরও বলেন যে , আমার বাড়ী থেকে নগদ প্রায় ১৭ লক্ষ ৯ হাজার ২০০ টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল আত্মসাৎ করা হয়েছে।
বর্তমানে অভিযুক্ত পরিবারটি সেতাবগঞ্জ পৌরসভার ৩নং মুর্শিদাহাট ইউনিয়নের জালগাঁও এলাকায় বড় জামাই দেলোয়ার হোসেনের বাড়ীতে বসবাস করছে বলে জানা গেছে এবং ভুক্তভোগী বাদী আঃ মজিদ খানের মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আমিনুল ইসলামের কাছ থেকে ৫ শতক জমি কিনে বাড়ী করেছেন। এক সময় তাদের কাছে মুড়ি খাওয়ার পয়সা ছিল না ওই অর্থ পেলো কোথায় রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তদারকি করা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ও সুযোগ্য পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।



















