ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ভালুকা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খানবাড়ী মোড় এলাকায় কুকুরের কামড়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ১০ থেকে ১২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন না পাওয়ায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে বিষয়টি জনসম্মুখে আনেন মানিক খান নামে এক ব্যক্তি। তিনি লেখেন, ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরে কামড়ানো রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়নি। ফলে গুরুতর আহত হয়েও রোগীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে খানবাড়ী মোড় ও আশপাশের এলাকায় একটি কুকুর হঠাৎ করে পথচারীদের ওপর হামলা চালায়। একের পর এক মানুষকে কামড়ে আহত করে কুকুরটি। এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা লাঠিসোঁটা নিয়ে কুকুরটিকে তাড়িয়ে দেয়।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনের শরীরের একাধিক স্থানে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। একজন আহতের স্বজন বলেন, কুকুরে কামড় মানেই ভয়ংকর বিষয়। হাসপাতালে এনে জানতে পারি ভ্যাকসিন নাই। তাহলে আমরা যাব কোথায়?
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগীর অভিযোগ, প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হলেও জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের জন্য বাইরে যেতে বলা হয়েছে। এতে সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট হচ্ছে, পাশাপাশি রোগীর জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে।
এ বিষয়ে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হাসপাতালে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগ ও পৌর কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে



















