বান্দরবান প্রতিনিধি :মো, হাসান
বান্দরবান সদর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে চলছে অবৈধ কাঠ পাচার। দিনের আলোতেই বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাক ও পিকআপ ভর্তি কাঠ পরিবহন করা হলেও সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম নেই—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
সরেজমিনে দেখা যায়, সদর উপজেলার রেইসা, গোয়ালিয়াখোলা, মাঝেরপাড়া, সুয়ালক, সুলতানপুর, কাইচতলী ও ভাগ্যকুলসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কাঠ পাচার হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, এই কার্যক্রম অনেকটা প্রকাশ্যেই পরিচালিত হলেও কার্যকরভাবে তা বন্ধে কোনো অভিযান পরিচালিত হচ্ছে না।
অভিযোগ রয়েছে, সদর রেঞ্জে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে তদারকি করেন না। বরং অফিসে অবস্থান করে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। কিছু অসাধু কাঠ ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার আর্থিক লেনদেন রয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
গত ৯ মে সুয়ালক এলাকায় প্রকাশ্যে কাঠ পরিবহনের দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন প্রতিবেদক। বিষয়টি সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামকে জানানো হলে তিনি সরাসরি কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে অন্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। অভিযোগ রয়েছে, এ ধরনের ঘটনায় তিনি প্রায়ই দায়িত্ব অন্যদের ওপর চাপিয়ে দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বন বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন,
“তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যায়নি। তাকে খুব কমই মাঠে দেখা যায়।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন,
আপনি আমাকে অনেক চাপ দিচ্ছেন।আমি আপনার চাকরি করি না।এধরনের মন্তব্যের পর তিনি কল কেটে দেন।
অন্যদিকে, এ বিষয়ে বান্দরবান বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুল ইসলাম বলেন,
প্রকাশ্যে কাঠ পরিবহনের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে অভিযোগ সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”



















