শব্দ দূষণ এখন শুধু শহরকেন্দ্রিক সমস্যা নয়; বিভিন্ন সড়ক ও জনবহুল এলাকাতেও এর প্রভাব বাড়ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেলে উচ্চ শব্দের পপ হর্ন এবং সাইলেন্সারে হোলারজাতীয় শব্দযন্ত্র ব্যবহার করে বিকট শব্দ তৈরির প্রবণতা সাধারণ মানুষের জন্য দিন দিন বিরক্তিকর হয়ে উঠছে।
অনেক মোটরসাইকেল চালক প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত শব্দ করে এমন হর্ন ব্যবহার করেন। আবার কেউ কেউ সাইলেন্সারের সঙ্গে হোলার লাগিয়ে রাস্তায় চলাচলের সময় বিকট শব্দ সৃষ্টি করেন। হঠাৎ এমন শব্দে পথচারী চমকে ওঠেন এবং শিশু, বয়স্ক, অসুস্থ ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পরিবেশও ব্যাহত হয়।
বিশেষ করে আবাসিক এলাকা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আশপাশে এ ধরনের উচ্চ শব্দ মানুষের জন্য আরও বেশি অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আনন্দ বা শখের জন্য তৈরি করা কয়েক মুহূর্তের বিকট শব্দ অন্যের জন্য দীর্ঘ সময়ের বিরক্তি ও ভোগান্তির কারণ হতে পারে।
বাংলাদেশের প্রচলিত সড়ক পরিবহন বিধিমালায় তীব্র, কর্কশ, বহুস্বরের বা ভীতিকর শব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই অনুমোদনহীন পপ হর্ন বা অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী যন্ত্র ব্যবহার না করে চালকদের দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।
শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে শুধু আইন থাকলেই হবে না, প্রয়োজন এর যথাযথ প্রয়োগ। পাশাপাশি মোটরসাইকেল চালকদেরও বুঝতে হবে রাস্তা শুধু নিজের নয়, সবার। নিজের কয়েক সেকেন্ডের সুবিধা বা বিনোদনের জন্য অন্যের শান্তি নষ্ট করার অধিকার কারও নেই।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো গেলে পপ হর্ন ও সাইলেন্সারের হোলারজনিত অপ্রয়োজনীয় শব্দ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
পপ হর্ন ও সাইলেন্সারের হোলারে অতিষ্ঠ পথচারী | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
শব্দ দূষণ এখন শুধু শহরকেন্দ্রিক সমস্যা নয়; বিভিন্ন সড়ক ও জনবহুল এলাকাতেও এর প্রভাব বাড়ছে।..
No comments found