About Us
MD.SHAHID IMRAN RASEL - (Khagrachhari)
প্রকাশ ২২/০৭/২০২১ ১২:১০পি এম

কুরবানির মাংশ কিনা লাগে না,নিজে থেকেই বাসায় পৌছে যায়

কুরবানির মাংশ কিনা লাগে না,নিজে থেকেই বাসায় পৌছে যায় Ad Banner
কোরবানির দিন দুপুরের পর থেকে গ্রামগঞ্জে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, সকলেরই চোখ জুড়ায়। কোরবানিদাতার বাড়ির দরজায় একদল মানুষের ভিড় হয়। কোরবানির মাংস সংগ্রহের জন্য তারা দলে দলে মানুষের দুয়ারে গিয়ে 'লিল্লা'র জন্য মাংস সংগ্রহ করতে ব্যস্ত থাকেন। এই লিল্লার মাংস ভিক্ষুক, গরীব, কর্মজীবী, যাদের নিজের কোরবানী দেওয়ার সামর্থ্য নেই তাদের মাঝে বণ্টন করা হয়।


সেই রকম দৃশ্য দেখা গেল যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের সামটা গ্রামে। যারা কোরবানি দিতে পারেন না, তাদের প্রতিটি ঘরে ঘরে কোরবানির মাংস পৌঁছে দিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন এই গ্রামের সামর্থবান ব্যক্তিরা।
বুধবার ঈদের নামাজ শেষে পশু কোরবানির পর বিকাল থেকে মাংস ভাগাভাগি শুরু হয় এ গ্রামে। এই সামাজিক কোরবানির মাংস প্রস্তুত ও বিতরণকাজ চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। তাই কোরবানির এই মাংস যাতে গ্রামের প্রতিটি ঘরে পৌঁছায় সে জন্য তিন ভাগের এক ভাগ মাংস (লিল্লার অংশ) মহল্লার নির্দিষ্ট স্থানে জমা করা হয়। তারপর এই মাংস ভোক্তাদের মাঝে বণ্টন করে দেওয়া হয়।

সামটা এবতেদ্বায়ী মাদরাসা মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা ফারুক হাসান জানান, সামটা গ্রামে যারা পশু কোরবানি দেন তারা প্রতিটি পশুর মাংসের তিন ভাগের এক ভাগ জমা দেন এই সামাজিক ভাগ-বণ্টনে। কেউ এই নিয়মের ব্যতিক্রম করলে তাকে সমাজের কাছে জবাবদিহির ব্যবস্থা রয়েছে। গ্রামে যারা কোরবানি করেননি তাদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়। এই সমাজভুক্ত প্রত্যেকের বাড়ির প্রতিটি সদস্যকে এক একটি ইউনিট ধরে তালিকা তৈরি করা হয়। এবার জমাকৃত মোট মাংস ওজন দিয়ে তাকে ইউনিট দিয়ে ভাগ করে পরিবার প্রতি মাংস পৌঁছে দেওয়া হয়। আগে স্থানীয় মসজিদ থেকে মাইকিং করে আওতাভুক্ত মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের ডেকে এনে মাংস বিতরণ করা হতো।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ