About Us
Verified আই নিউজ বিডি ডেস্ক
প্রকাশ ১৯/০৬/২০২১ ০৫:৩৬পি এম

করোনায় দেড় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু

করোনায় দেড় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু Ad Banner
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে শনাক্ত ও মৃত্যুর হার। বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ালেও পরস্তিতি নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না । গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গত ৪৮ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ সময়ে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৭ জন। এর আগে গত ২ মে ৬৯ জনের মৃত্যু হয়।

এরমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে খুলনা বিভাগে একদিনে সর্বোচ্চ ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৬৭ জনের মধ্যে খুলনা বিভাগেরই ২৪ জন। এছাড়া, ঢাকায় ১৪, চট্টগ্রামে ১১, রাজশাহীতে ৮, সিলেটে ১, রংপুরে ৮ এবং ময়মনসিংহে ১ জন মারা গেছেন।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৩৪ জন পুরুষ এবং ৩৩ জন নারী। এদের মধ্যে মাত্র ১ জন বাসায় মারা গেছেন। এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১৩ হাজার ৪৬৬ জনের মধ্যে পুরুষ ৯ হাজার ৬৫৭ জন এবং নারী ৩ হাজার ৮০৯ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ২৭ জনেরই বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ২২, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ১২, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৩ এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের ৩ জন রয়েছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। তারপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত বছরের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে থাকে।

২৪ ঘণ্টায় ১৬ হাজার ৯৪৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৬৪টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ০২ শতাংশ।
দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৩ লাখ ৫ হাজার ৫০৩টি। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ