About Us
শনিবার, ১৫ মে ২০২১
  • সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম:
Md. Ibrahim - (Bhola)
প্রকাশ ০১/০৫/২০২১ ০৩:১২পি এম

করোনা সংকটে বাংলাদেশের জনগনের পাশে আবুল খায়ের গ্রুপ

করোনা সংকটে বাংলাদেশের জনগনের পাশে আবুল খায়ের গ্রুপ Ad Banner

দেশে তরল অক্সিজেন সংকটের এই দুঃসময়ে দাতা হয়ে এসেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের নিজস্ব প্লান্টে উৎপাদিত তরল অক্সিজেরে পুরোটাই সরবরাহ করছে সরকারি হাসপাতালে। করোনাকালে সারাদেশের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে কারখানায় ব্যবহার বন্ধ করে শুধু মেডিকেল অক্সিজেন উৎপাদনের ঘোষণা দিয়েছে এই শিল্প গ্রুপটি।   

সীতাকুণ্ডের শীতল পুরের তিন একর জায়গাজুড়ে নির্মিত আবুল খায়ের গ্রুপের এই প্ল্যান থেকে দৈনিক অক্সিজেন উৎপাদন হয় গড়ে ২৫০ থেকে ২৬০ টনের মত। করোনার প্রকোপ শুরুর পর থেকেই দেশের সরকারি হাসপাতাল গুলোতে দিনে অন্তত ১০ টন করে তরল অক্সিজেন সরবরাহ করে আসছিল এই শিল্প গ্রুপটি। এর মধ্যে শুরু হয় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। অক্সিজেন রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এমন বিবেচনায় দেশের সম্ভাব্য সংকট ঠেকাতে তরল অক্সিজেন এর উৎপাদন এবং সরবরাহ বাড়িয়েছে আবুল খায়ের গ্রুপ।

চট্টগ্রাম ছাড়াও সারাদেশের ২০টি হাসপাতাল এবং ব্যক্তিপর্যায়ে দৈনিক ৫০০ তরল অক্সিজেন সিলিন্ডার বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে এই প্ল্যান থেকে। বাণিজ্যিক ভাবে লিন্ডে বাংলাদেশ এবং স্পার্ক টাকে দেয়া হচ্ছে আরও প্রায় ২০ টন।   

চাহিদা আরো বাড়লে শিল্প কারখানার উৎপাদন কমিয়ে আবুল খায়ের গ্রুপের এই প্লন্ট থেকেই দৈনিক ৪০ টন পর্যন্ত তরল অক্সিজেন উৎপাদন সম্ভব বলছেন কর্মকর্তারা।   

আবুল খায়ের গ্রুপের এক কর্মকর্তা জানায় যে, যদি প্রয়োজন হয় আমরাও এটাকে আরো কনভার্ট করতে পারবো। অথবা সিলিন্ডার ফিলিংয়ে যেতে পারি। আমাদের সেই প্রসেস আছে করার জন্য এর জন্য প্রিপারেশন নিতে পারব এবং রিকোয়ারমেন্টস হলে আমরা সেটি করতে পারবো।     

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেবে বর্তমানে দেশের তরল অক্সিজেন এর দৈনিক চাহিদা ১৪০ থেকে ১৫০ টন। এর মধ্যে চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্প গ্রুপের প্লান থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টনের মত।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ