About Us
Tausif Akbar (জেলা প্রতিনিধি) - (Pirojpur)
প্রকাশ ০৩/০৪/২০২১ ১০:২১এ এম

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ Ad Banner

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ


গত ২৯ মার্চ সোমবার কিছু জাতীয় দৈনিক ও স্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টালে "ইন্দুকানীতে ব্যবসায়ীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় পিটিয়ে নির্যাতন" শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্রস্তাবিত উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পত্তাশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাওলাদার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন।


এক প্রতিবাদ বক্তব্যে ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম বলেন, আমাকে জড়িয়ে যে সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট, রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক ,যা পুরোপুরি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘটনার দিন সন্ধার পরে আমি তখন ছিলাম বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ লতিফ হাওলাদার এর ছেলের বিবাহ বিচ্ছেদ বৈঠকে ইন্দুরকানী উপজেলা পরিষদের সামনে তার ব্যক্তিগত অফিসে। এর পরে রাত ১০.৩০ এর দিকে পত্তাশী বাজারে গেলে তখন ভুক্তভোগী ওই মেয়ের চাচাতো ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম আলীর বাড়ি সংলগ্ন রাস্তায় আমি সহ আরও কয়েকজন লোকের সামনে জানায়-স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী আল আমিন আমার চাচাতো বোন মারুফার উপর হামলা করেছে। এসময় মারুফা অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ ঘটনা শোনার পর পুলিশ ও সাংবাদিকদের জানাই এবং তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় গ্রাম পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠাই।


তারপর আমি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ওয়াজ মাহফিলে যাই ও মাহফিল থেকে ফিরে এসে ১ নং ইউপি সদস্য মাসুম হাওলাদারকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই।ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আল আমিনের ২ হাত বাঁধা এবং ভুক্তভোগী মারুফা মাটিতে পড়ে আছে। স্থানীয় গ্রাম পুলিশকে হাতের বাঁধন খুলে দিতে বলি। সাথে সাথেই তার হাতের বাঁধ খুলে দেওয়া হয়।সাথে সাথে পুলিশ এসে উপস্থিত হয়।


তিনি আরও বলেন- আমার সামনে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন তাই বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারনে এবং জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে এলাকার প্রভাবশালী কিছু লোকজন আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এ মিথ্যা সংবাদ বিভিন্ন দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকায় ছড়িয়েছে। আমি এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।


মারুফার উপর হামলাকারী আল আমিন এর বাবা এলাকার কিছু প্রভাবশালী লোকের প্ররোচনায় চাঁদাবাজি মামলা দিয়েছে এবং আরও একাধিক মামলা দেয়ার হুমকিও দিয়েছে।


বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ লতিফ হাওলাদার জানান- আমার ছেলের বিবাহ বিচ্ছেদ মিমাংসা বৈঠকে পত্তাশী ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেনকে খবর দিলে সে সন্ধ্যার পরেই আমাদের বৈঠকে উপস্থিত হন। পরে আমার সাবেক পুত্রবধূ বৈঠকে উপস্থিত না হওয়ার কারনে আমরা তাদের বাড়িতে যাই। পরে রাত ১০.৩০ এর দিকে চেয়ারম্যান তার নিজ এলাকায় চলে যায়।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ