About Us
Emon Chowdhury - (Pirojpur)
প্রকাশ ৩১/০৩/২০২১ ০৫:৪৮পি এম

পিরোজপুরে হুমকির মুখে ফসলি জমি ও পরিবেশ

পিরোজপুরে হুমকির মুখে ফসলি জমি ও পরিবেশ Ad Banner

নিয়মনীতির কোন প্রকার তোয়াক্কা না করেই পিরোজপুরে পরিচালিত হচ্ছে অধিকাংশ ইট ভাটা যার বেশিরভাগই অবৈধ। এসব ইট ভাটার মালিকরা ধানসহ অন্যান্য ফসলি জমি ধ্বংসের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থ করছে সরকারি অনেক স্থাপনাও। আর এতে মারাত্মক হুমকির মুখে পরিবেশসহ খাদ্য নিরাপত্তা।

পিরোজপুরের ইন্দুকানী উপজেলার চর খোলপটুয়া গ্রামটি কঁচা নদীর তীড়ে অবস্থিত। গ্রামের বাসিন্দা নুরু হোসেন ও রাব্বি মোল্লার কাছথেকে জানাযায়, চর খোলপটুয়া গ্রামে স্থাপন করা হয়েছে ৫টি ইটভাটা যার একটিরও সরকারি লাইসেন্স নাই। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন অমান্য করেই ফসলি জমিতে গভীর পুকুর কেটে সে মাটি ইট প্রস্তুতের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। আর কোন কোন ভাটায় ইট পোড়ানোর জন্য কয়লার সাথে ব্যবহার করা হচ্ছে কাঠ। এমনকি ওই গ্রামটিতে সরকারিভাবে তৈরিকৃত বেড়িবাধটিও ভাটার ইট পরিবহনের জন্য বিভিন্ন স্থান থেকে কেটে ফেলেছে ইট ভাটার মালিকরা। এছাড়া কোন কোন ভাটায় শিশু শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানোর পাশাপাশি অন্য শ্রমিকদের শিকলে বেধে জোরপূর্বক কাজ করানোর অভিযোগও রয়েছে। 


এভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে আইন অমান্য করে ইট ভাটা পরিচালিত হওয়ায় ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে। তবে ইট ভাটার মালিকরা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পান অধিকাংশ মানুষ। 

এদিকে সরকারি বেড়িবাধ বন্যার সময় ভেঙে গেছে এ দাবি ইট ভাটাগুলোর কর্তৃপক্ষের। আর বৈধভাবেই ইট ভাটা স্থাপন করে ইট প্রস্তুত করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। তবে অবৈধ ইট ভাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যহত আছে বলে জানান পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। আর এ জেলায় স্থাপিত সকল ইট ভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। পিরোজপুরের জেলায় মোট ২৪ টি বৈধ ইট ভাটা রয়েছে। 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ