About Us
Shakil Islam - (Nilphamari)
প্রকাশ ০৯/০৩/২০২১ ০৪:৩৬পি এম

নীলফামারীতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ

নীলফামারীতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ Ad Banner

নীলফামারী জেলায় প্রথম সূর্যমুখী ফুলের আবাদ।দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই ফুলের চাষ হলেও নীলফামারী জেলায় প্রথম দেখা যাচ্ছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ।তবে সারা দেশে গত কয়েক বছরে দিগুণ হয়েছে সূর্যমুখী চাষের চাহিদা ।

এক সময় শুধু সরিষা চাষ করা হতো এখন সূর্যমুখী চাষে এই জেলার বেশ কয়েকটি  উপজেলায় সূর্যমুখীর আবাদ হচ্ছে।নীলফামারী সদর উপজেলা, ডোমার, ডিমলা, সৈয়দপুর, কিশোরগঞ্জ এবং জলঢাকা উপজেলায় চাষীরা এ ফুলের আবাদ করছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফলন ভালো হয়েছে, এ ফুল থেকে উৎপাদিত তেলের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা লাভের মুখ দেখছে। ফলে অন্য রবিশস্যের তুলনায় সময় ও ব্যয়সাশ্রয়ী এ ফুল আবাদে জেলার কৃষকদের মাঝে আগ্রহ বাড়ছে। সূর্যমুখী ফুলের বীজ থেকে তৈরি তেল বাজারের অন্যান্য তেলের চেয়ে ভালোমানের। কোলেস্টেরলমুক্ত হওয়ায় এটির পুষ্টিগুণও বেশি বলে জানান কৃষি কর্মকর্তারা।

নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, শুরুর দিকে নীলফামারী সদর উপজেলায় কয়েকজন  সূর্যমুখীর আবাদে আগ্রহী হলেও এখন তা বাড়ছে। পর্যায়ক্রমে এটি অন্যান্য উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। সূর্যমুখী ফুলের বীজ থেকে তেল ও খৈল হয়। ফুলের ক্ষেতে মৌচাক বসিয়ে বাণিজ্যিকভাবে মধু সংগ্রহ করা যায়। এছাড়া শুকিয়ে যাওয়া গাছ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। সূর্যমুখী বীজ বপণের ৯০-১০৫ দিনের মধ্যেই কৃষকরা ফুল থেকে বীজ ঘরে তুলতে পারেন। এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করে প্রায় সাত মণ বীজ পাওয়া যায়। বাজারে এ পরিমাণ বীজ বিক্রি হয় ১০-১২ হাজার টাকায়।

নীলফামারী সদরের উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের কয়েকজন সূর্যমুখী চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়।প্রথমবার সুর্যমূখী ফুল চাষ করেছেন তারা। সদর উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতায়  জমিতে তিনি সূর্যমুখী ফুল চাষ করেছেন তারা।

আরও বলেন, সব গাছেই প্রচুর পরিমাণ ফুল ফুটেছে। নতুন করে কলি এসেছে। সেগুলোও ফোটার অপেক্ষায় আছে। বীজ তৈরি হতে সব মিলিয়ে ছয় মাস সময় লাগবে।


নীলফামারী সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, অন্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখী ফুল চাষে খরচ কম। এতে সার ও ওষুধ কম লাগে। খুব বেশি পরিচর্যাও করতে হয় না। তাছাড়া অন্যান্য তেলবীজের তুলনায় বেশি তেল পাওয়া যায়। পুষ্টিচাহিদা পূরণে সূর্যমুখী তেলের বীজ আমদানি করতে হয়। চাষ বৃদ্ধি পেলে এ বীজ আমদানি করতে হবে না।


তবে ফলন ভালো হওয়ার লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ