শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১
  • সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম:
mr nazmul hossain
প্রকাশ ২২/০২/২০২১ ১১:২৮পি এম

ভোলা ও তার বন্ধু

ভোলা ও তার বন্ধু Ad Banner

একবার এক অভিনব কৌতুক প্রতিযোগিতার আয়োজন হলো। সর্বমোট ১০০টি কৌতুক বলা হবে। যে ব্যক্তি পুরো ১০০টি কৌতুক শোনার পরও একটুও হাসবে না, তাকে পুরস্কৃত করা হবে।

তো, এই খবর শুনে ভোলা বন্ধুবান্ধব নিয়ে লাফাতে লাফাতে সেখানে গিয়ে হাজির। ভোলাসহ সব প্রতিযোগী নিজ নিজ আসনে বসে আছে। সামনে চলছে কৌতুক পরিবেশন। কৌতুক শুনে সবাই হো হো করে হাসতে হাসতে একজন একজন করে বাদ পড়ে যাচ্ছে। কিন্তু ভোলার মুখে কোনো হাসি নেই। এভাবে ৯৯টা কৌতুক শেষ এর পরও ভোলাকে কেউ হাসাতে পারল না। কিন্তু ১০০ নম্বর কৌতুক শুনেই পেট চেপে ধরে হাসতে হাসতে ভোলা গড়াগড়ি দিচ্ছিল। তার বন্ধুরা তো এবার রেগে অগ্নিশর্মা।

পাশ থেকে বলতে লাগল, ‘আরে বুদ্ধু, এই শেষবেলায় এসে হাসছিস কেন? পুরস্কারটা তো আমাদের হাতছাড়া করে দিলি। সব বরবাদ হয়ে গেল’

ভোলা বলল, ‘আরে দোস্ত, আমি কী করব? এইমাত্র কানে লাগানো ছিপিটা খুলে গেল যে। 

#একবার ভোলার কাছে তার বন্ধু রামের একটি চিঠি এল। চিঠিতে লেখা, ‘ভোলাজি, আমি একটা মহা ঝামেলায় পড়েছি,  তুমি এই ঝামেলা থেকে আমাকে মুক্তি দিতে পারো। দয়া করে যদি তুমি আমাকে ১০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দাও, তাহলে খুশি হব আমি। ছয় মাস পরই ধারের টাকা শোধ করে দেব।’

এই চিঠি পেয়ে ভোলার মাথা তো একদম গরম। ওই ব্যাটা রাম যে একটা জোচ্চোর তা ভালো করেই জানে ভোলা। মরে গেলেও সে কিছুতেই এ টাকা শোধ করবে না। মহা চিন্তায় পড়ল ভোলা। ভাবতে ভাবতে হুট করেই বুদ্ধি করল, এবার তাকে একটা পাল্টা চিঠি পাঠিয়ে দিই।

ভোলা চিঠিতে লিখে দিল, ‘ভাই রামজি, আমি খুবই দুঃখিত যে, তুমি ১০ হাজার টাকা চেয়ে যে চিঠিটি আমার ঠিকানায় পাঠিয়েছ, তা হয়তো ভুল করে অন্য কারও কাছে গেছে। তাই সেই চিঠিটি এখনো আমার হাতে এসে পৌঁছায়নি। তাই তোমাকে টাকাটা দিতে পারলাম না বলে ক্ষমা কোরো।’


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ