সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১
মো. বিল্লাল হোসাইন - (Jamalpur)
প্রকাশ ২০/০২/২০২১ ১০:০৭পি এম

শিক্ষার্থীদের মাথায় বোঝা!

শিক্ষার্থীদের মাথায় বোঝা! Ad Banner

প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র ছাত্রীর বাড়তি পুষ্টি চাহিদা পূরণে যে বিস্কুট দেওয়া হয়, সেই বিস্কুটের বোঝা (কাটুন) মাথায় করে বহন করে গোদামজাত করতে হয় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ওইসব কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কুলির কাজে ব্যবহার করান। উপজেলা পর্যায়ের গ্রামগঞ্জের স্কুলগুলোতে এমন দৃশ্য প্রায়ই চোখে পড়ে।

বৃহস্পতিবার, জেলার ইসলামপুর উপজেলার হরিণধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে স্কুল থেকে এক দেড়শ গজ দুরে দায়মান গাড়ী থেকে বিস্কুটের বোঝা মাথায় করে স্কুলের দোতলায় গোদামজাত করান।

জানা যায়, প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের বাড়তি পুষ্টি চাহিদা পূরণ সরকার ( ফিডিং প্রোগ্রাম ) বিস্কুট বিতরণ করে থাকেন। উপজেলা সদর হতে সংশ্লিষ্ট সকল স্কুলগুলোতে এ বিস্কুট পৌছানোর কাজে রয়েছে পরিবহন বাজেট। নিয়ম অনুযায়ী পরিবহনকর্মীরা সংশ্লিষ্ট স্কুলের গোদামে পৌছে দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু, তারা কোনো রকমে স্কুলের মাঠে পৌছে দিলেও গোদামজাত করার কাজটি করে থাকেন স্কুলের শিক্ষার্থীরা। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য স্কুলের শিক্ষকরা তাদের স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাথায় বিস্কুটের বোঝা তুলে দিয়ে কুলির কাজ করিয়ে থাকেন।

হরিণধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্র রাসেল ও ২য় শ্রেণির ছাত্র ঈমাম বলে প্রতিবারই আমরা গাড়ী থেকে বিস্কুট নামিয়ে দোতলায় স্টোরে নিয়ে রাখি।

হরিণধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম বলেন, বরাবরই বিস্কুটের গাড়ী স্কুল মাঠে আসে। আজ নদীর পাড়ে আটকে যাওয়ায় ছাত্ররা সেখান থেকে নামিয়ে আনছে। বিস্কুট পরিবহন ও গোদামজাত ছাত্রদের ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তাদের আনতে বলিনি। গাড়ীওয়ালা এ কাজ করেছে।

এ ব্যাপারে ইসলামপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, মোঃ ফেরদৌস বলেন, বিস্কুট উঠা নামা বা কোনো কাজে ছাত্রদের ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই। এটা এনজিও কর্মীদের দায়িত্ব।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ