• 0
  • 0
Samium Bashir Meraz
Posted at 12/01/2021 02:19:pm

দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমায় রবি

দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমায় রবি

শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার পর থেকে টানা ১৩ কার্যদিবসের প্রতি কার্যদিবসেই দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করেছে রবি আজিয়াটা। দেশের শেয়ারবাজারের ইতিহাসে এর আগে কোনো কম্পানি লেনদেন শুরুর প্রথম ১৩ কার্যদিবস টানা দাম বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করতে পারেনি। 

রবির আগে টানা দাম বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করার রেকর্ড ছিল ওয়ালটনের। ওয়ালটনের শেয়ার লেনদেন শুরুর প্রথম ৮ কার্যদিবস দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে। নতুন তালিকাভুক্ত রবি আজিয়াটার শেয়ারের দাম এভাবে বাড়াকে অস্বাভাবিক বলছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। এ জন্য বিনিয়োগকারীদের প্রতি সতর্কবার্তাও প্রকাশ করেছে ডিএসই।

ডিএসই জানিয়েছে, রবির শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে ৪ জানুয়ারি কম্পানিটিকে নোটিশ করা হয়।

জবাবে তারা জানিয়েছে, শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির পেছনে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। এদিকে ডিএসই থেকে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করা হলেও তা কোনো কাজে আসছে না। বরং লাফিয়ে লাফিয়ে কম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েই চলেছে। 

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) লেনদেনের শুরুতে ৬২ টাকা করে কম্পানিটির চার হাজার ৯৩০টি শেয়ার কেনার প্রস্তাব আসে। তবে এ দামে বিনিয়োগকারীদের বড় অংশ কম্পানিটির শেয়ার বিক্রি করতে রাজি হননি। এরপর কয়েক দফা দাম বেড়ে ৬৩ টাকা ২০ পয়সা করে দুই কোটি ৪৭ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৩টি শেয়ার কেনার প্রস্তাব আসে। এর মাধ্যমে দিনের দাম বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করেছে কম্পানিটি। এর পরও কম্পানিটির শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব আসার ঘর খালি পড়ে রয়েছে। অর্থাৎ ক্রেতা থাকলেও শেয়ারের বিক্রেতাসংকট রয়েছে। 

১০ টাকা অভিহিতমূল্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) শেয়ার ইস্যু করা রবির শেয়ার লেনদেনের শুরু থেকেই বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। যে কারণে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম দফায় দফায় বাড়ছে। 

উল্লেখ্য, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে অনুমোদন নিয়ে রবি আজিয়াটার আইপিওতে আবেদন গ্রহণ শুরু হয় ১৭ নভেম্বর। যা চলে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং আইপিও খরচের জন্য রবিকে অভিহিত মূল্যে শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৫২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩৩ হাজার ৩৪০ টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এই টাকা তোলার জন্য কম্পানিটি ৫২ কোটি ৩৭ লাখ ৯৩ হাজার ৩৩৪টি সাধারণ শেয়ার আইপিওতে ইস্যু করে। এর মধ্যে ১৩ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ৯৩৪টি শেয়ার কম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ইস্যু করা হয়েছে।



শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ