Feedback

খোলা কলাম

বাঙালির আত্মসমালোচনার বড়ই অভাব (২য় অংশ)

বাঙালির আত্মসমালোচনার বড়ই অভাব (২য় অংশ)
September 11
01:38pm
2020
Rejaul karim
Sadarpur, Faridpur, প্রতিনিধি:
Eye News BD App PlayStore

 আমরা কথায় কথায় বলি বাঙালি বীরের জাতি।  ইতিহাস ঘাটলে বাঙালি যে বীরের জাতি তার তেমন সাক্ষ্য-প্রমাণ মেলে না। বাঙালির রাজনৈতিক ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, বাঙালির ইতিহাস কাপুরুষতার ইতিহাস, অবিমৃষ্যকারিতার ইতিহাস, অদূরদর্শিতার ইতিহাস, পরাধীনতার ইতিহাস। আমার মনে প্রথমেই প্রশ্ন জাগে, যে জাতি শত শত বছর বা হাজার বছর পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকে সে জাতি বীরের জাতি হয় কেমন করে? বাঙালি যদি বীরের জাতি হয় তাহলে তারা কিভাবে শত শত বছর বা হাজার বছর ধরে পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ রইলো? প্রত্যেক ব্যক্তি বা জাতির জীবনে জয়-পরাজয় আছে। তাই বলে কি শত বছর বা হাজার বছর পরাজয়? ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রাম ব্যতীত বাঙালির জয় তো দুরের কথা পরাজয়ের ইতিহাসও তেমন নেই। কেননা পরাজয় হতে হলেও তো যুদ্ধ করতে হয়। সেটা বাঙালি কতটুকু করেছে?  ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী ১২০৪ সালে মাত্র ১৭ জন অশ্বারোহী সৈন্য নিয়ে বাংলা দখল করে ফেললো। বাংলার রাজা লক্ষণ সেন কোনো প্রতিরোধ করতে পারলেন না। এমনকি কোনো প্রতিরোধের চেষ্টাও করলেন না, পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গেলেন। অথচ ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী ছিলেন আফগানিস্তানের গরমশিরের বাসিন্দা এবং গাধা চালক। সেখানে তিনি গাধা চালিয়ে জীবীকা নির্বাহ করতেন।


পরে বহু কষ্টে তিনি কুতুবউদ্দিন আইবকের অধীনে সৈন্যদলে যোগ দেন। সুযোগ বুঝে তিনি বাংলা দখল করে রাজা বনে যান।  বাংলার রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন রাজা শশাঙ্ক (৬০৬-৬৩৬)। তিনিই বীর বিক্রমে বাংলা শাসন করেছিলেন এবং বাংলাকে বাংলার সীমানার বাইরেও সম্প্রসারিত করেছিলেন। তারপরে আবার অবক্ষয়। পালদের মধ্যে ধর্মপাল কিছুটা শশাঙ্কের ন্যায় শৌর্যের সাথে বাংলা শাসন করতে পেরেছিলেন। তারপরে বাংলায় ঐ রকম শাসক সচরাচর আর দেখা যায়নি। প্রকৃতপক্ষে রাজা শশাঙ্ক ও পাল আমলের পরে এবং ১৯৭১ সালের পূর্বে বাংলা কখনো স্বাধীন ছিলো না। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী বাংলাকে শাসন-শোষণ করেছে। যেমন- ১৯৪৭-১৯৭১=২৪ বছর বাংলা ছিলো পাকিস্তানের শাসনাধীনে, ১৭৫৭-১৯৪৭=১৯০ বছর ছিলো বৃটিশ শাসনাধীনে, ১৫২৬-১৭৫৭=২৩১ বছর ছিলো মুঘল শাসনাধীনে, ১২০৪-১৫২৬=৩২২ বছর ছিলো সুলতানি শাসনাধীনে। সুলতানি আমল, মুঘল আমল, বৃটিশ আমল ও পাকিস্তান আমলে যারা বাংলা শাসন করেছে তারা কেউ বাঙালি ছিলেন না। সুলতানি আমলের পূর্বে যে সেন বংশ বাংলা শাসন করতো তারা এসেছিলো দাক্ষিনাত্য থেকে। বাংলার ইতিহাস যেন ধর্ষিতার ইতিহাস। বহু ব্যক্তি, বহু জাতি বাংলাকে শাসন করেছে, কিন্তু বাংলা কাউকে শাসন করতে পারেনি। অপর দেশ তো দূরের কথা বাংলা নিজেকে নিজে শাসন করতে পারেনি। বাংলার কেউ কি স্বাধীনভাবে রাজত্ব করতে চায়নি বা স্বাধীনভাবে রাজত্ব করার চেষ্টা করেনি তা নয়। যারা করেছে, তাদের নাম কেউ জানে না বললেই চলে। তাদেরকে কেউ স্মরণ করে না, শ্রদ্ধা করে না। বরং যারা বাংলার স্বাধীনতা হরণ করেছে, বাংলাকে পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ করেছে তারাই বাঙালির কাছে শ্রদ্ধার পাত্র।


বাঙালি তাদেরকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। এটা বাঙালির ইতিহাসে এক ট্রাজেডি, বড়ই দুঃখ এবং পরিতাপের বিষয়। বাংলার ইতিহাসে যিনি প্রকাশ্যে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি হলেন ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ। তাঁর নাম কয়জনে জানে? বরং তাঁকে উপহাস করে বলা হতো ফখরা। অবশ্য তাঁর পূর্বেও দু’একজন বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। যেমন মুইযউদ্দিন তুঘরিল খান। তিনি ছিলেন বাংলার সহকারী গভর্নর। দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন তাঁকে সহকারী গভর্নর করে পাঠান। সুযোগ বুঝে তিনি ১২৭৯-১২৮০ সালে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করে দিল্লির সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। পরে যুদ্ধে তুঘরিল খান দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের নিকট পরাজিত ও নিহত হন। সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের ছেলে বুগরা খান দিলি¬র সুলতান না হয়ে বাংলার সুলতানের পদ বেছে নেন। তিনিও ১২৮৮ সালে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করে বাংলা শাসন করতে থাকেন। অথচ তাঁদের নাম কেউ স্মরণ করে না। অবশ্য তাঁরা স্বাধীন ছিলো সাময়িক সময়ের জন্য। পূর্ব বাংলায় বারো ভূঁইয়ারা স্বাধীনভাবে রাজত্ব করছিলেন। এ বারো ভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন ইশা খান। ইশা খানের পর তাঁর পুত্র মুসা খান। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের সাধ জাগলো বাংলাকে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করার। এ জন্য তিনি প্রথমদিকে সেনাপতি মানসিংহকে বারো ভূঁইয়াদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেন। এরপর তিনি সেনাপতি ইসলাম খাঁকে বাংলার সুবাদার নিয়োগ করেন এবং বারো ভূঁইয়াদের দমন করে পূর্ব বাংলাকে মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত করার নির্দেশ দেন।


বারো ভূঁইয়ারা বীরত্বের সঙ্গে মুঘল শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন। সুবাদার ইসলাম খাঁ পূর্ব বাংলা দখল করে ১৬১০ সালে সোনার গাঁও এর স্থলে ঢাকাকে বাংলার প্রাদেশিক রাজধানী ঘোষণা করেন এবং ঢাকার নাম রাখেন ‘জাহাঙ্গীর নগর’। আমাদের অনেকে এখনো প্রশ্ন করেন, ঢাকার অপর নাম কী? আমরা হর্ষচিত্তে উত্তর দেই- ‘জাহাঙ্গীর নগর’। বাংলায় সম্রাট জাহাঙ্গীরকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য পাকিস্তান সরকার ঢাকার অদূরে সাভারে ১৯৭০ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে প্রতিষ্ঠা করেন ‘জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়’। অথচ সম্রাট জাহাঙ্গীর একজন দখলদার । তিনি বাংলাকে দখল করলেন, বাংলার স্বাধীনতা হরণ করলেন। যে ব্যক্তি বাংলার স্বাধীনতা হরণ করে সে ব্যক্তির নামে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করি। সম্রাট জাহাঙ্গীর নিজে যদি নিজের নামে কোনো কিছু প্রতিষ্ঠা করতো সেটা মেনে নেওয়া যায়। বাঙালিরা কিভাবে একজন দখলদারের নামে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম মেনে নেয় সেটাই প্রশ্ন। আর যে বারো ভূইয়ারা বাংলার স্বাধীনতার জন্য লড়াই করলো, তাঁদের নামে কোনো কিছু প্রতিষ্ঠা করি না। তাঁদের নামও হয়তো জানি না।  বাংলার যে কয়েকজন সুবাদার বা নবাব বাংলা থেকে বেশি রাজস্ব আদায় করে দিল্লিতে প্রেরণ করেছেন তাঁরাই বাংলায় বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁদের অন্যতম হচ্ছেন- সুবাদার শায়েস্তা খান এবং নবাব মুর্শিদকুলি খান। তাঁরা দুজনেই বাংলা থেকে বছরে কোটি কোটি টাকা (স্বর্ণ মুদ্রা) রাজস্ব হিসেবে দিল্লিতে পাঠিয়েছেন। সে টাকা দিয়ে দিল্লি-আগ্রাকে সমৃদ্ধ করা হয়েছে। আওরঙ্গজেব যে সারাজীবন দাক্ষিনাত্যে মারাঠাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন সে যুদ্ধের খরচ যুগিয়েছে এ বাংলা। শায়েস্তা খান ব্যক্তিগত ব্যবসা-বাণিজ্য করে ২২ বছরে ৩৮ কোটি টাকা বাংলা থেকে নিয়ে গেছেন।


তিনি পান, সুপারি ও লবণ একচেটিয়া ব্যবসা করতেন। তাঁর সময়ে টাকায় আটমন চাল পাওয়া যেতো। এর অর্থ এই নয় যে চাল খুব সস্তা ছিলো। তখন টাকার খুব আকাল ছিলো। আর ঐ টাকাটা ছিলো স্বর্ণের। তখনকার ১ টাকা=১ ভরি স্বর্ণ, ২৪ ক্যারেটের বিশুদ্ধ স্বর্ণ। ঐ ১ ভরি স্বর্ণের বর্তমান বাজার মূল্য হিসাব করলে চালের দাম শায়েস্তা খানের সময়ের তুলনায় বর্তমানে কয়েকগুণ সস্তা। আরেকজন শাসকের আমলে টাকায় আটমন চাল পাওয়া যেতো। তাঁর তেমন প্রচার নেই। তাঁর নাম নবাব সুজাউদ্দিন, মুর্শিদকুলি খানের জামাতা এবং নবাব সরফরাজ খানের পিতা। মুর্শিদকুলি খান বছরে কোটি টাকা রাজস্ব হিসেবে দিল্লিতে প্রেরণ করতেন। বাংলা যদি স্বাধীন থাকতো আর বাংলার টাকা বাংলায় খরচ করা হতো বা বাংলার উন্নয়নে ব্যয় করা হতো তাহলে বাংলা থাকতো বিশ্বের ধনী দেশগুলোর অন্যতম। যারা বাংলার টাকা চুষে নিয়ে গেছে এবং চুষে খেয়েছে তাঁরাই বাংলায় সমাদৃত হয়ে আছে। ঢাকার মোহাম্মদপুরভর্তি তাঁদের নাম। যেমন- বাবর রোড, হুমায়ুন রোড, শাহজাহান রোড, নুরজাহান রোড, তাজমহল রোড ইত্যাদি। তাঁরা বাংলার কেউ নন। তাঁরা বাংলার শোষক। অথচ বাংলায় তাঁদের কী সম্মান! আবার মুঘল বংশের সর্বশেষ্ঠ শাসক হলেন সম্রাট আকবর।  আকবরের নামে কোনো কিছু করা হয়নি। কারণ তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ এবং ‘দীন-ইলাহী’ ধর্মের প্রবর্তক।  আবার অনেকে সিরাজউদ্দৌলাকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব হিসেবে অভিহিত করেন। আসলে কি তাই? বাংলায় নবাব বংশের বা নবাবী ধারার শাসন ব্যবস্থার সূত্রপাত করেন নবাব মুর্শিদকুলি খান। মুর্শিদকুলি খান নিজেও তো স্বাধীন ছিলেন না। মুর্শিদকুলি খানের পূর্বে যারা বাংলা শাসন করতেন তাঁদেরকে বলা হয় সুবাদার। মুর্শিদকুলি খান থেকে শুরু করে বৃটিশ শাসনের পূর্ব পর্যন্ত যারা বাংলা শাসন করতেন তাঁদের বলা হয় নবাব। মুঘল আমলে যারা সুবাদার বা নবাব হিসেবে বাংলা শাসন করেছেন তাঁরা কেউ স্বাধীন ছিলেন না।


তাঁরা ছিলেন মুঘল সম্রাটদের প্রতিনিধি। মুঘল সম্রাটকে রাজস্ব ও নজরানা প্রদান এবং আনুগত্য প্রদর্শনের বিনিময়ে তাঁরা সুবায় শাসন করতেন। তবে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের কারণে কেন্দ্রের শাসন শিথিল হয়ে পড়ে। বাংলার শাসকরা স্বাধীভাবে বাংলা শাসন করতে পারতেন দিল্লির সম্রাটকে আনুগত্য ও অর্থ প্রদানের মাধ্যমে। দিল্লির বাদশাহ / সম্রাটরা অভ্যন্তরীণ শাসনকার্যে হস্তক্ষেপ করতেন না আনুগত্য ও অর্থ পেলে। সুবা বা প্রদেশের শাসকরা স্বাধীনভাবে রাজ্য শাসন করতে পারতেন, কিন্তু স্বাধীন ছিলেন না। সেটাকে এক ধরনের স্বায়ত্তশাসন বলা যেতে পারে, স্বাধীন নয়। বাংলার নবাবরা যে স্বাধীন ছিলেন না তার বড় প্রমাণ ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও দিল্লির সম্রাট শাহ আলমের মধ্যে ১৭৬৫ সালের এলাহাবাদ চুক্তি। এ চুক্তি অনুসারে দিল্লির সম্রাট শাহ আলমকে বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকা প্রদানের বিনিময়ে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি ক্রয় করে নেন। অর্থাৎ বৈধভাবে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এ দেশের ভূমিতে তাদের স্বত্ব লাভ করেন। বাংলার নবাবরা যদি স্বাধীন হতেন তাহলে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিলি¬র সম্রাটের নিকট থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি ক্রয় করবে কেন? ক্রয় করার কথা ছিলো বাংলার নবাবের নিকট থেকে। অথবা বাংলার নবাবকে পরাজিত করার পর বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার স্বত্ব কোম্পানি নিজের হাতে তুলে নিলেই পারতো। কিন্তু তারা তা করেনি। কারণ তারা ভালো করেই জানতো বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার বৈধ কর্তৃপক্ষ দিল্লির সম্রাট, বাংলার নবাব নয়।


এমনকি সিরাজউদ্দৌলা এবং তাঁর খালাত ভাই পুর্নিয়ার শাসক শওকত জং দুইজনেই দিল্লির সম্রাটের নিকট থেকে বাংলার সুবাদারি লাভের প্রচেষ্টা চালান। প্রথমে জওকত জং দিল্লির সম্রাট শাহ আলমের নিকট থেকে সুবাদারি ফরমান লাভ করেন। তিনিই ছিলেন বৈধ শাসক। ১৭৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর মনিহারির যুদ্ধে তিনি সিরাজউদ্দৌলার হাতে নিহত হন। শওকত জং নিহত হওয়ার পর অবশ্য সিরাজউদ্দৌলা দিল্লির সম্রাটের নিকট থেকে বাংলার সুবাদারি লাভের সনদ প্রাপ্ত হন। বাংলার নবাব যদি স্বাধীন হতেন তাহলে দিল্লির সম্রাটের নিকট থেকে বাংলার সুবাদারি লাভের সনদ প্রাপ্তির দরকার হতো না। স্বাধীন শাসকেরা নিজের নামে মুদ্রা অঙ্কিত করতে পারতেন। কিন্তু বাংলার কোনো নবাব কি নিজের নামে মুদ্রা অঙ্কন করতে পেরেছিলেন? নিশ্চয় নয়। তাহলে তাদের কি স্বাধীন শাসক বলা যায়? বাংলার নবাবরা যদি স্বাধীনই হবেন, তবে দিল্লির সম্রাটকে রাজস্ব প্রেরণ করতেন কেন? তাছাড়া বাংলায় যারা সুবাদার বা নবাব হতেন তাঁরা কি এদেশের মানুষ ছিলেন? তাঁরা কি এদেশের ভাষা জানতেন বা এদেশের ভাষা ব্যবহার করতেন? তাঁরা কি এদেশের সংস্কৃতি ধারণ করতেন? প্রকৃতপক্ষে তাঁরা প্রায় সকলেই এসেছিলেন বাংলার বাইরে থেকে বাংলা শাসন করার জন্য। এদেশের এক শ্রেণির মানুষ বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার জন্য তাদেরকে বাংলার স্বাধীন নবাব হিসেবে অভিহিত করেন।  উৎস : রেজাউল করিম, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অভিন্ন সত্তা, গ্রন্থকুটির, ঢাকা।           

All News Report

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

ধর্ষনের অভিযোগকারী ঢাবী ছাত্রীর বয়ান

ধর্ষনের অভিযোগকারী ঢাবী ছাত্রীর বয়ান

ধর্ষণ মামলা, আটক ও মুক্তির বিষয়ে মুখ খুললেন ভিপি নুরের স্ত্রী

ধর্ষণ মামলা, আটক ও মুক্তির বিষয়ে মুখ খুললেন ভিপি নুরের স্ত্রী

সাবেক ভিপি নুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা নিয়ে আসিফ নজরুলের ফেসবুক স্ট্যাটাস

সাবেক ভিপি নুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা নিয়ে আসিফ নজরুলের ফেসবুক স্ট্যাটাস

ডাউন সিনড্রোম কী?

ডাউন সিনড্রোম কী?

সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশফাক আহমেদ এর জীবনী

সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশফাক আহমেদ এর জীবনী

তাড়াইলের বাবু রাজ চন্দ্র রায়ের জমিদার বাড়ি

তাড়াইলের বাবু রাজ চন্দ্র রায়ের জমিদার বাড়ি

৩ মাস ধরে গৃহকর্মীকে ধর্ষণ, কারাগারে অভিযুক্ত

৩ মাস ধরে গৃহকর্মীকে ধর্ষণ, কারাগারে অভিযুক্ত

ইসলাম নিয়ে কটুক্তি ফরিদপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

ইসলাম নিয়ে কটুক্তি ফরিদপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

আইন অনুযায়ী ভিপি নুরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আইন অনুযায়ী ভিপি নুরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কাঁদলেন ভিপি নুরের স্ত্রী বললেন কি হয়েছে দেশবাসী কি তা জানেন

কাঁদলেন ভিপি নুরের স্ত্রী বললেন কি হয়েছে দেশবাসী কি তা জানেন

শেরপুরে গৃহবধুকে ধর্ষণ

শেরপুরে গৃহবধুকে ধর্ষণ

৯৯৯-এ ফোন করে ধর্ষক শ্বশুরকে ধরিয়ে দিলেন পুত্রবধূ

৯৯৯-এ ফোন করে ধর্ষক শ্বশুরকে ধরিয়ে দিলেন পুত্রবধূ

ধর্ষণের পর টাকায় মীমাংসা

ধর্ষণের পর টাকায় মীমাংসা

কুড়িগ্রামে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড

কুড়িগ্রামে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড

রেস্টুরেন্টের ২৬ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি

রেস্টুরেন্টের ২৬ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি

সর্বশেষ

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু  ৩৭ এবং  শনাক্ত  ১৬৬৬

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৩৭ এবং শনাক্ত ১৬৬৬

বিলের জন্য অভিনেত্রীর লাশ আটকে ছিল হাসপাতালে, এগিয়ে আসল শিল্পী সংঘ

বিলের জন্য অভিনেত্রীর লাশ আটকে ছিল হাসপাতালে, এগিয়ে আসল শিল্পী সংঘ

মনিরামপুরের সিনেমাহল ও পার্ক এ চলছে অশ্লীলতা

মনিরামপুরের সিনেমাহল ও পার্ক এ চলছে অশ্লীলতা

সড়ক নয় যেন মরনের ফাত,  ভোলা-চরফ্যাশন হাইওয়ে

সড়ক নয় যেন মরনের ফাত, ভোলা-চরফ্যাশন হাইওয়ে

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: ভিকটিমের দুই বান্ধবীসহ ৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: ভিকটিমের দুই বান্ধবীসহ ৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

অসহায় মানুষের পাশে বিএনপি সবসময় আছে: রিজভী

অসহায় মানুষের পাশে বিএনপি সবসময় আছে: রিজভী

কুড়িগ্রামে নদী অবৈধ দখল উচ্ছেদের দাবিতে সংবাদ সম্মলন

কুড়িগ্রামে নদী অবৈধ দখল উচ্ছেদের দাবিতে সংবাদ সম্মলন

সিইসি: রাতে কখনো ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় নি

সিইসি: রাতে কখনো ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় নি

টিকেটের কারণে আন্দোলনকারীদের ভিসা বাতিল করতে পারে সৌদি সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

টিকেটের কারণে আন্দোলনকারীদের ভিসা বাতিল করতে পারে সৌদি সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের খাবার ও রক্ষীদের রেশন নিয়ে দূর্নীতি

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের খাবার ও রক্ষীদের রেশন নিয়ে দূর্নীতি

বাংলাদেশে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হয়ে গেছে!

বাংলাদেশে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হয়ে গেছে!

লালশাকের উপকারিতা ও রোগ নিরাময় গুণাবলী

লালশাকের উপকারিতা ও রোগ নিরাময় গুণাবলী

জীবন আর কফি কাপ

জীবন আর কফি কাপ

নির্ভীক ছুটে চলা কর্মবীর এক ইউএনও পরিমল সরকার

নির্ভীক ছুটে চলা কর্মবীর এক ইউএনও পরিমল সরকার

জাতিসংঘে কাশ্মির ইস্যু তুললেন এরদোয়ান,ক্ষুব্ধ দিল্লি

জাতিসংঘে কাশ্মির ইস্যু তুললেন এরদোয়ান,ক্ষুব্ধ দিল্লি