Golam Rabbani - (Naogaon)
প্রকাশ ১২/০৩/২০২২ ০৮:২০পি এম

নওগাঁর সাপাহারে আমের মুকুলের গন্ধে বিমোহিত হচ্ছে মানুষ

নওগাঁর সাপাহারে আমের মুকুলের গন্ধে বিমোহিত হচ্ছে মানুষ
ad image
নওগাঁর সাপাহার উপজেলা ইতিমধ্যেই সারাদেশে আমের রাজধানীহিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এই উপজেলার আম বাজার হতেপ্রতি বছরে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার আম বানিজ্য হয়।নানান জাতের আম বাগানে পরিপূর্ণ এলাকার মাঠগুলো। চলতিসময়ে আম গাছগুলোতে ফুটতে শুরু করেছে আমের মুকুল। আমবাগানে প্রবেশ করলেই মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে মকুলের মৌ মৌ গন্ধ।মুকুলের গন্ধে যেমন বিমোহিত হচ্ছে মানুষ।

অপর দিকে মুকুলেরপরিপূর্ণতায় বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা।আবহাওয়ার অবনতি না হলে চলতি বছরে গত বছরের তুলনায় আমেরবাম্পার ফলনের আশায় দিন গুনছেন এলাকার আমচাষীরা। আজ শনিবার (১২ মার্চ) সকালে সরেজমিনে এলাকার আমবাগানগুলো ঘুরে দেখা যায়, সারি সারি আমবাগানের প্রায় প্রতিটিগাছেই ফুটতে শুরু করেছে সোনালী রঙের আমের মুকুল। মৌমাছির দল মধুসংগ্রহের জন্য ভোঁ ভোঁ করছে।

চারিদিকেমৌ মৌ গন্ধ ছড়াচ্ছে সদ্য প্রস্ফুটিত আমের মুকুল। জাতভেদেকোন গাছে বেশি আবার কোন গাছে কেবল মাত্র মুকুলের উঁকিদেখা যাচ্ছে। দখিনা বাতাসে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। সেইস্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চেষ্টার কোন ঘাটতি নেই আমচাষীদের। সেই কাক ডাকা ভোর থেকে লোক লাগিয়ে বাগান পরিচর্যায়ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। যে গাছ গুলোতে কেবল মুকুল ফুটবেসেগুলোতে স্প্রে করছে। কেউ আবার আম গছের গোড়া আগাছা পরিস্কার করছে। কেউবা নালা কাটছে। আম বাগানগুলোতে যেনসাজ সাজ রব।

ফুরকুটি ডাঙ্গার গ্রামের আমচাষী নিতাই বলেন, “ভগবানের আশির্বাদে এবার আমের মুকুল ভালো হয়েছে। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে পরিচর্যার কাজ করছি।আবহাওয়া ভালো থাকলে গত বছরের মতো এবারেও ভালো ফলন হবে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবছরে উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে আমচাষ হচ্ছে। গতবছর প্রতি হেক্টরে ১৫ মেট্রিক টন আম উৎপাদন হয়েছিলো। আবহাওয়া অনুকলে থাকলে গত বছরের তুলনায় এই বছরে উৎপাদনবৃদ্ধি হতে পারে। অধিক ফলনের লক্ষ্যে আমগাছে উকুন নাশকএভোমেট্রিন ও ছত্রাক নাশক মেনকোজেভ বালাইনাশক স্প্রে করারপরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে। প্রতি বছরে এই উপজেলায় ক্রমান্বয়ে বাড়ছে আম বাগান। এইবছরেও আম বাগান বৃদ্ধি হয়েছে। ফলে গাছ গুলো নতুন হওয়ায় সেগুলো থেকে ফল আশা করছেন না আমচাষীরা। যার ফলে গড় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা গত বছরের সাথে তুলনা করা হয়েছে। অন্যান্য বছরের ন্যায় চলতি বছরেও দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে আম রপ্তানি করা যাবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আমচাষীরা।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ