Feedback

খোলা কলাম

" ৬- দফা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং স্বাধীনতা "

" ৬- দফা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং স্বাধীনতা "
August 14
12:10am
2020
kamruzzaman
Senbag, Noakhali:
Eye News BD App PlayStore

৪৭ থেকে ৬৬ । উনিশ বছর । ভয়াবহ বৈষম্য , স্বৈরচারিতা , অধিকার খর্বকারতার দাহ নরকে উপনীত বাংলাদেশ তথা পূর্ব পাকিস্তান । আর সেই মহাদূর্যোগী সময়ে ১২১৫ সালের বৃটেনের রাজা জনের মৌলিক অধিকার ও শোষণহিন সমাজ রক্ষাকবচ ম্যাগনাকার্টা সদৃশ ১৯৬৬ সালের ৬ ই ফেব্রুয়ারি লাহোরে তাসখন্দ চুক্তি বিরোধী পাকিস্তানি বিরোধীদল সমূহের  কনভেনশনে , শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা উত্থাপন করেন ।


১৯৬৯ সালে আওয়ামীলীগের প্রচারে আবদুল মমিন যেভাবে ৬ দফাকে পুনঃ মুদ্রন করেছিলেন ঠিক সেই রকম বা হুবহু ৬ দফার রূপরেখা উপস্থাপন করা হল –  প্রস্তাব একঃ শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্টীয় প্রকৃতি   দেশের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো এমন হতে হবে যেখানে পাকিস্তান হবে ফেডারেশন ভিত্তিক রাষ্ট্র সংঘ এবং এর ভিত্তি হবে লাহোর প্রস্তাব । আইন পরিশোধের ক্ষমতা হবে সার্বভৌম এবং এই পরিষদও নির্বাচিত হবে সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে জনসাধারণের সরাসরি ভোটে ।   প্রস্তাব দুইঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা  কেন্দ্রীয় ( ফেডারেল ) সরকারের ক্ষমতা কেবলমাত্র দুটি ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে ।


যথাঃ দেশরক্ষা ও বৈদেশিক নীতি ।অবশিষ্ট সকল বিষয়ে অঙ্গ রাষ্ট্র গুলোর ক্ষমতা থাকবে নিরঙ্কুশ ।  প্রস্তাব তিনঃ মুদ্রা ও অর্থ সম্বন্ধীয় ক্ষমতা  মুদার ব্যাপারে নিম্নলিখিত যেকোনো একটি প্রস্তাব গ্রহন করা যেতে পারে । ক) সমগ্র দেশের জন্য দুটি পৃথক অথচ অবাধে বিনিয়োগযোগ্য মুদ্রা চালু থাকবে । অথবা খ) বর্তমাব নিয়মে সমগ্র দেশের জন্য একটি মুদ্রাই চালু থাকতে পারে । তবে সেক্ষেত্রে শাসনতন্ত্রে এমন ফলপ্রসূ ব্যবস্থা রাখতে হবে , যাতে করে পূর্বপাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে মূলধন পাচারের পথ বন্ধ হয় । এ ক্ষেত্রে পূর্বপাকিস্তানের জন্য পৃথক ব্যাংকিং রিজার্ভের পত্তন করতে হবে এবং পূর্বপাকিস্তানের জন্য পৃথক আর্থিক ও অর্থবিষয়ক নীতি প্রবর্তন করতে হবে ।  প্রস্তাব চারঃ রাজস্ব , কর ও শুল্ক সমম্বন্ধীয় ক্ষমতা  ফেডারেশনের অঙ্গ রাষ্ট্রগুলির কর বা শুল্ক ধার্যের ব্যাপারে সার্বভৌম ক্ষমতা থাকবে না ।


তবে প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য অঙ্গরাষ্ট্র গুলোর রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাপ্য হবে । অঙ্গরাষ্ট্র গুলোর সব রকম করের ক্ষমতা থাকবে । শতকরা একই হারে আদায়কৃত অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তহবিল গঠিত হবে ।   প্রস্তাব পাঁচঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা  ক) ফেডারেশনভুক্ত প্রতিটি রাষ্ট্রের বহির্বাণিজ্যের পৃথক হিসাব রক্ষা করতে হবে ।  খ) বর্হিবাণিজ্যের মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা অঙ্গরাষ্ট্রগুলির এখতিয়ারধীন থাকতে হবে ।  গ) কেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা সমান হারে অথবা সর্বসম্মত হারে অঙ্গরাষ্ট্রগুলিই মিটাবে ।   ঘ) অঙ্গরাষ্ট্রগুলির মধ্যে দেশজ দ্রব্যাদির চলাচলের ক্ষেত্রে শুল্ক বা কর জাতীয় কোনো বাধা নিষেধ থাকবে না ।   ঙ) শাসনতন্ত্রে অঙ্গরাষ্ট্রগুলিকে বিদেশে নিজ নিজ বাণিজ্য প্রতিনিধি প্রেরণ এবং স্ব স্বার্থে বাণিজ্যিক চুক্তি সম্পাদনের ক্ষমতা দিতে হবে । 


 প্রস্তাব ছয়ঃ আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা  আঞ্চলিক সংহতি ও শাসনতন্ত্র রক্ষার জন্য শাসনতন্ত্রে অঙ্গরাষ্ট্রগুলোকে স্বীয় কর্তৃত্বাধীনে আধা সামরিক বা আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠন ও রাখার ক্ষমতা দিতে হবে ।    পরিতাপের বিষয় হল , ৬- দফাতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ বিকাশ প্রকাশ এবং এর গভীরতা , ব্যাপকতা সুদূর প্রসারি হওয়া স্বত্বেও – ৬ দফার জন্য শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয় । ১৯৬৬ সালের লাহোরের সেই কনভেনশনে উপস্থিত ৭৪০ জনের মধ্যে  ৭৩৪ জন এর বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহন করে এবং সরাসরি ৬ দফাকে নাকচ করে দেয় । পরদিন ৭ ই ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের সব পত্র পত্রিকা শেখ মুজিবুর রহমানকে বিচ্ছিন্নবাদী বলে অভিযুক্ত করে । আইয়ুব খান অস্ত্রের ভাষায় ৬ দফাকে মোকাবেলা করার হুমকিও দেয় । এমনকি ৬ দফাতে আওয়ামীলীগের নেতারাও অসন্তুষ্ট এবং ক্ষুব্দ ছিল ।


অন্যদিকে আওয়ামীলীগের তরুন নেতৃত্ব সাদরে গ্রহন করে । যার ফলশ্রুতিতে ঢাকার দেয়াল “ বাঙ্গালির দাবি ৬ দফা ” , “ বাচার দাবি ৬ দফা ” স্লোগানে পূর্ণ হয়ে যায় । তরুণ নেতৃবৃন্দ ২১ শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামীলীগের ব্যানারে এবং শেখ মুজিবুর রহমানের নামে “ আমাদের বাঁচার দাবি ৬ দফা কর্মসূচী ” শীর্ষক এক পুস্তিকা বিলি করে । যেথায় ৬ দফার পুরোস্ত ব্যাখা ও  তাৎপর্য খোলাসাভাবে প্রদান করা হয়েছিল । পরবর্তীতে ১৩ ই মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা পাশ হয় । ৬ দফাকে দলের কাউন্সিল অধিবেশনে অনুমোদনের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ।     ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ শে মার্চ আওয়ামীলীগের কাউন্সিল অধিবেশন বসে ।


তৎকালীন আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ । তিনি ৬ দফার বিরোধিতা  করে সভাস্থল ত্যাগ করেন । তখন সৈয়দ নজরুল ইসলাম সভাকার্য চালিয়ে যান । এদিকে ৬ দফার সুদূর প্রসারি ব্যাপকতা , তরুণ নেতৃবৃন্দের দারুন আগ্রহ এবং শেখ মুজিবুর রহমানের উচ্চমাত্রীয় অনন্য অসাধারণ দৃঢ় বলিষ্ট নেতৃত্বের অভিব্যক্তির ফলে ৬ দফা কাউন্সিলে অনুমোদিত হয় । আর সাথে পূর্ব পাকিস্তানের আন্ধার গদ্যে জন্ম হয় অগ্রদূত , কান্ডারি , স্বাপ্নিক , জনতার কল্যাণী , জুপিটার , গ্যালাক্সি , এ্যাপোলো শেখ মুজিবুরি রহমানের । অর্থ্যাত শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন । নতুন ওয়ার্কিং কমিটি গঠিত হয় ।


৬ দফার হাত ধরেই আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব প্রবীণদের থেকে বলিষ্ট তরুণদের হাতে চলে আসে । ফলশ্রুতিতে , অধিকার আদায়ের আন্দোলন গতি পায় । দুর্দান্ত প্রাণ পায় । দৃঢ় জাতীয়তাবাদের সৃষ্টি হয় । রাজনীতিতে প্রয়োজনীয় সময় উপযোগী অঘোষিত এক মহান বিপ্লব ঘটে । যার কল্যাণী ধারাবাহিতায় ১৯৬৮ সালের ছাত্র সমাজ ১১ দফা দাবি উত্থাপন করতে অক্ষয়ী শক্তি লাভ করে । অতঃপর ৬ দফা এবং ১১ দফার ক্ষুরুষ খড়গী আঘাতে , স্ফুলিঙ্গয় উত্তাপে স্বৈর বা মার্শাল ল ই শাসক এনিহিলেট দিস ডিমন্স আইয়ুব খানের পতন হয় গণ- অভ্যুস্থানের মাধ্যমে । তারি ধারাবাহিকতায় নব সামরিক শাসক ইয়াহিয়া শেখ মুজিবুর রহমানকে বন্দী করেও ফলশ্রুততা পায় নি ।


বরং শেখ মুজিবুর রহমান সহ সব রাজবন্দীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় । ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ৬ দফাকে তাদের নির্বাচনী মেনিফেস্টো হিসেবে প্রচারণা চালায় । যার ফলে , বাঙ্গালির সরকার আওয়ামীলীগ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্টতা লাভের মাধ্যমে ধাবিত হয় স্বাধীনতা বা মুক্তিযুদ্ধে । অর্থ্যাত , ৬ দফাই ১৯ বছরের বৈষম্যের উদ্যানে সাম্যের গান রচে , স্বাধিকার আন্দোলনের মন্থর গতিতে দেয় প্রলয়ংকর বেগ , ভূমিষ্ঠ করে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি অভিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের   , বাঙ্গালির মানসে বাজিয়ে দেয় “ স্বাধীনতা হীনতায় কে বাচিতে চায় ?” এবং শানিত এক বলিষ্ঠ কণ্ঠে ঐক্যতানি সুরে বাজায় বাঙ্গালির খুনে খুনে “ এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম , এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম ” ।  যা আমরা ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে বুঝেছি এবং পেয়েছি পবিত্র স্বাধীনতা ।   


লেখকঃ কবি ও কলামিস্ট 

All News Report

Add Rating:

0

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোরের নতুন অধ্যক্ষ হলেন লেফটেন্যান্ট কর্ণেল নুসরাত নূর আল চৌধুরী

ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোরের নতুন অধ্যক্ষ হলেন লেফটেন্যান্ট কর্ণেল নুসরাত নূর আল চৌধুরী

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় বৃদ্ধ মায়ের বিষ পানে আত্নহত্যা! আটক ৩!

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় বৃদ্ধ মায়ের বিষ পানে আত্নহত্যা! আটক ৩!

পাগলার কান্দিপাড়ায় অজ্ঞান পার্টির কবলে ১০ বছরের মাদ্রাসা ছাত্র

পাগলার কান্দিপাড়ায় অজ্ঞান পার্টির কবলে ১০ বছরের মাদ্রাসা ছাত্র

দুই বছরেও শেষ হয়নি হাবিপ্রবির গ্রন্থাগার ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাখার অটোমেশনের কাজ

দুই বছরেও শেষ হয়নি হাবিপ্রবির গ্রন্থাগার ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাখার অটোমেশনের কাজ

ভৈরবে গাজাঁ আত্মসাতের অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার

ভৈরবে গাজাঁ আত্মসাতের অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার

আবারও ইউটার্ন ট্রাম্পের, 'কখনও হার মানব না'

আবারও ইউটার্ন ট্রাম্পের, 'কখনও হার মানব না'

ভালোবাসার প্রতিদান তানিয়া সুলতানা হ্যাপি

ভালোবাসার প্রতিদান তানিয়া সুলতানা হ্যাপি

পাকিস্তানসহ ১৩ টি দেশকে ভিসা দিবে না আরব আমিরাত

পাকিস্তানসহ ১৩ টি দেশকে ভিসা দিবে না আরব আমিরাত

প্রতিদিন ডিম খাওয়া কি ভাল? সাবধান করলেন গবেষকরা

প্রতিদিন ডিম খাওয়া কি ভাল? সাবধান করলেন গবেষকরা

ঘূর্ণিঝড়ের আকারে আজ রাতেই ছোবল মারতে পারে নিভার, সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ১৪৫ কিমি

ঘূর্ণিঝড়ের আকারে আজ রাতেই ছোবল মারতে পারে নিভার, সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ১৪৫ কিমি

কিংবদন্তী ফুটবলার ম্যারাডোনা আর নেই

কিংবদন্তী ফুটবলার ম্যারাডোনা আর নেই

আমতলীতে নদী দখল করে ইটভাটা, দ্রুত বন্ধের দাবী এলাকাবাসীর

আমতলীতে নদী দখল করে ইটভাটা, দ্রুত বন্ধের দাবী এলাকাবাসীর

পাকিস্তানে ধর্ষকের শাস্তি "পুরুষাঙ্গ" অকেজো করে দেওয়া

পাকিস্তানে ধর্ষকের শাস্তি "পুরুষাঙ্গ" অকেজো করে দেওয়া

যেনো বারী সিদ্দিকীর প্রতিচ্ছবি "রাসেল" আরটিভি'র মঞ্চে

যেনো বারী সিদ্দিকীর প্রতিচ্ছবি "রাসেল" আরটিভি'র মঞ্চে

ফ্রান্সের বিরুদ্ধে আন্দোলন, সিঙ্গাপুরে ১৫ বাংলাদেশিকে বহিষ্কার

ফ্রান্সের বিরুদ্ধে আন্দোলন, সিঙ্গাপুরে ১৫ বাংলাদেশিকে বহিষ্কার

সর্বশেষ

রংপুরের মহাসড়কে দুর্ধর্ষ ডাকাতি ১জন নিহত ১জন আহত

রংপুরের মহাসড়কে দুর্ধর্ষ ডাকাতি ১জন নিহত ১জন আহত

বালিয়াডাঙ্গীতে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

বালিয়াডাঙ্গীতে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

মৎস‌্য পোনা চাষে স্বাবলম্বী বাগেহাটের হাফিজ

মৎস‌্য পোনা চাষে স্বাবলম্বী বাগেহাটের হাফিজ

রাণীশংকৈলে ১২০ পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

রাণীশংকৈলে ১২০ পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

হাতীবান্ধায় হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের কর্ম বিরতি

হাতীবান্ধায় হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের কর্ম বিরতি

ভূরুঙ্গামারীতে ইরি-বোরো বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত কৃষক

ভূরুঙ্গামারীতে ইরি-বোরো বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত কৃষক

যেভাবে বেড়ে উঠেছিলেন ফুটবলের বরপুত্র ম্যারাডোনা

যেভাবে বেড়ে উঠেছিলেন ফুটবলের বরপুত্র ম্যারাডোনা

ভূরুঙ্গামারীতে স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীদের অনিদিষ্টকালের অবস্থান কর্মবিরতি চলছে

ভূরুঙ্গামারীতে স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীদের অনিদিষ্টকালের অবস্থান কর্মবিরতি চলছে

দিনাজপুরের হাবিপ্রবিতে প্রো-ভিসি নিয়োগের দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

দিনাজপুরের হাবিপ্রবিতে প্রো-ভিসি নিয়োগের দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

মোংলায় ধর্ষনের শিকার খাগড়াছড়ি এলাকার ১ কিশোরী দুই ধর্ষক আটক

মোংলায় ধর্ষনের শিকার খাগড়াছড়ি এলাকার ১ কিশোরী দুই ধর্ষক আটক

পাইকগাছায় ৩০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

পাইকগাছায় ৩০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

দিনাজপুরে আদিবাসী নারী পুরুষদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরে আদিবাসী নারী পুরুষদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শ্যামনগরে হেলথ এ্যাসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন চাকুরীজীবিদের কর্ম বিরতি পালন

শ্যামনগরে হেলথ এ্যাসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন চাকুরীজীবিদের কর্ম বিরতি পালন

বীরগঞ্জ সহ সারাদেশে সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসুচী

বীরগঞ্জ সহ সারাদেশে সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসুচী

কাহারোলে আমন ধান সংগ্রহে উন্মুক্ত লটারী অনুষ্ঠিত

কাহারোলে আমন ধান সংগ্রহে উন্মুক্ত লটারী অনুষ্ঠিত