কমেন্ট করুন পয়েন্ট জিতুন!
ショーツ 作成
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে হেরোইন সহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
মোহা :সানাউল্লাহ (সুমন)
চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর(ডিএনসির) অভিযানে হেরোইনসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
২৮ শে এপ্রিল সোমবার সকাল ৮ঘটিকার সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ক" সার্কেলের পরিদর্শক ইলিয়াস হোসাইন তালুকদারের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাধীন পৌর মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৩০ " একশত ত্রিশ গ্রাম হেরোইন- তেষট্টি হাজার চারশত দশ টাকা নগদ অর্থ ও একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল সেট এবং একটি হেরোইন পরিমাপক ডিজিটালযন্ত্র যন্ত্র সহ শ্যামল নামের এক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ৬নং রানিহাটি ইউনিয়নের চুনাখালী গ্রামের শ্রী সুধীর চন্দ্র রবিদাসের ছেলে, শ্রী শ্যামল রবিদাস। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়েরের মাধ্যমে আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
চাঁদপুরের কচুয়া বিশ্বরোডের দুইপাশের অবৈধ স্থাপনা উপজেলা প্রশাসন পৌর প্রশাসন পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে বুলডোজার দিয়ে ভেঙ্গে গুড়ি দেওয়া হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল দশটা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক হেলাল চৌধুরী, সহকারি কমিশনার ভূমি আবু নাসের, কচুয়া থানা ওসি আজিজুল ইসলাম ও সেনাবাহিনী ক্যাপ্টেন ওয়াহিদুজ্জামান। অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার পূর্ব থেকেই মাইকিং ও নোটিশ করে ফুটপাত দখলকারীদের অভিযানের ব্যপারে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ইউএনও। উচ্ছেদ অভিযানের সময় উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে মিত্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকে বলেন রাস্তার দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা কেন্দ্র করে পূর্বের পেশীবাদী আওয়ামীলীগ পালিয়ে যাওয়ার পর বিএনপি'র কয়েকটি গ্রুপ বাস স্ট্যান্ড সিএনজি স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল করে এক কারেন্ট টাকা ও দৈনিক প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে নিয়মিত টাকা উত্তোলন করতো। উচ্ছেদে অভিযানে অনেকেই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন উপজেলা প্রশাসনের প্রতি। আবার কেউ কেউ উচ্ছেদে অভিযানে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিএনপি নেতা বলেন হারুন স্কয়ারের সামনে বিশ্ব রোডের একোয়ারের পরে মালিকানা জায়গা থেকেও হারুন স্কোয়ারের মালিকের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা খেয়ে প্রশাসন এখানকার বৈধ দোকানপাট গুলো ভেঙ্গে দিয়েছে বলে অভি্যোগ করেন। এদিকে দিনভর উচ্ছেদ অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের উত্তর পাশেও মালিকানা জায়গা থেকে বিল্ডিং উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। ওসি আজিজুল ইসলাম বলেন আমাদের পরবর্তী অভিযান সাঁচার ও রহিমা নগর বাজার দখল মুক্ত করা।




