close

ভিডিও দেখুন, পয়েন্ট জিতুন!

Shorts Skapa

⁣উত্তর শালধর থেকে গর্ভবতী নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালো পরশুরাম থানা পুলিশ

Monsur Alam

0

1

7,578

⁣পর্যটকের আগমনে জমজমাট কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ফুটেজ

Liton Das

0

0

13

⁣বাগেরহাটে ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ


বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার গাংনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শিকদার উজির আলী এবং প্যানেল চেয়ারম্যান জুয়েল এর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে স্থানীয় বাসিন্দা ও ইউপি সদস্যরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গাংনী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য জাকির বিশ্বাস, ৫নং ওয়ার্ড সদস্য ফারুক আহমেদ, ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মো. হান্নান, ৭নং ওয়ার্ড সদস্য আলী আহমেদ শেখ, ৮নং ওয়ার্ড সদস্য হাফিজুর রহমান ও ৯নং ওয়ার্ড সদস্য হাবিবুর রহমানসহ এলাকাবাসী।

বক্তারা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর শিকদার উজির আলী স্বেচ্ছাচারিতা শুরু করেছেন। তিনি ইউনিয়নের জনগণের কোনো সেবা দেন না, বরং সেবা নিতে গেলে ঘুষ দিতে হয়। ট্যাংকি, টিউবওয়েলসহ বিভিন্ন প্রকল্পের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়া পরিষদে তিনি নিয়মিত আসেন না, ফলে ইউনিয়নের জনগণ বঞ্চিত হচ্ছে মৌলিক সেবা থেকে।

৭নং ওয়ার্ড সদস্য আলী আহমেদ শেখ অভিযোগ করে বলেন, “চেয়ারম্যান এত বেশি স্বেচ্ছাচারিতা করেছে যা বর্ণনা করা কঠিন। পরিষদের ব্যাংকে থাকা প্রায় ৬ লাখ টাকা তিনি তুলে আত্মসাৎ করেছেন। এমনকি আড়াই বছর ধরে ইউপি সদস্যদের সম্মানী ভাতা দেননি।”

বক্তারা যেকোনো মূল্যে বর্তমান চেয়ারম্যানকে অপসারণ করে ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানান। তাদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ আরও সেবা থেকে বঞ্চিত হবে এবং দুর্নীতির শিকার হবে।

Nazrul Islam

0

0

8

সারা বছর শ্রেণীকক্ষে এমন প্রতিমাসে ৮শত টাকা করে প্রাইভেট পড়েও বার্ষিক পরীক্ষায় গণিতে সবাই ফেল।

Abdul Kadir

0

0

2

অসাধারণ রেসিপি, গরুর মাংসের ভর্তা

Md Sohag

0

1

7

⁣পাবনা শহরে বৃষ্টি বিলাস

পাবনার আকাশে যখন বাদল নামে, শহর যেন এক নতুন রূপে সেজে ওঠে। রিকশার ছাতার নিচে চুপচাপ বসে থাকা মানুষ, চায়ের দোকানে ধোঁয়া ওঠা কাপে জীবনের যত কথা—সব মিলিয়ে এক নিঃশব্দ আনন্দে শহরটা যেন ভিজে যায়। শহরের পুরাতন মসজিদ আর চারুকলার পুকুরঘাটে বৃষ্টির ফোঁটায় পড়ে এক অপূর্ব শব্দজাল বুনে দেয় প্রকৃতি।

শালগাড়িয়ার পথ, কলেজ মোড়, অথবা টাউন হল—যেখানেই চোখ যায়, বৃষ্টির ছোঁয়ায় মানুষ যেন নিজের ভেতরের ক্লান্তি ধুয়ে ফেলে। তরুণ-তরুণীদের ভেজা হেঁটে যাওয়া, বৃষ্টিতে শিশুদের উল্লাস, আর ভিজে যাওয়া কাঁথা মোড়ানো বৃদ্ধার জানালায় চেয়ে থাকা—সব মিলিয়ে এক বৃষ্টিমগ্ন চিত্রপট তৈরি হয়।

পাবনার বৃষ্টি যেন শুধুই ভেজায় না, মনে জমে থাকা পুরোনো স্মৃতিগুলোও জাগিয়ে তোলে। কারো কাছে তা প্রেমের প্রথম চিঠির মতো, কারো কাছে হারানো সময়ের গন্ধ।

এটাই তো পাবনা শহরের বৃষ্টি বিলাস—নিঃশব্দে অনুভবের জলছবি।

Mirza Mizanur Rahman Mizan

0

0

1,132