তাড়াহুড়া নয়, যৌতিক সময়ের মধ্যে সংস্কার এবং নির্বাচন চায় শিবির
Korte broek Opprett
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলের যে অবস্হা, তাতে সাধারন মানুষের আস্হা নেই। যৌতিক সময়ের মধ্যে সবগুলো প্রতিষ্ঠানের সংস্কার দরকার। নির্বাচন হবে হওয়া উচিৎ। কিন্তু সেটা যেন তাড়াহুড়ার মধ্যে বা দীর্ঘ না হয়। দিনাজপুরের শিশু একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত সংগঠনের শিবিরের শহর কমিটির সমাবেশে প্রধান অতথির বক্তব্য শেষে মিডিয়া কর্মীদের কাছে অভিমত জানান শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি প্রধান জাহিদুল ইসলাম।
কচুয়ায় নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে দাদা শাহ আলমের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
মোঃ রায়হান মিয়া কচুয়া চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ
চাঁদপুরের কচুয়ায় নিজের ১৩ বছর বয়সী নাতনিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পাষণ্ড দাদা মোঃ শাহ আলমের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ১০নং উত্তর গোহট ইউনিয়নের খিলা হাজী বাড়িতে। ভুক্তভোগী মোছাম্মদ জামিলা আক্তার (১৩) ওই গ্রামের শাহাদাত হোসেন সবুজের মেয়ে এবং রহিমানগর মিফতাহুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণীর আবাসিক (বোর্ডিং) ছাত্রী।
পারিবারিক ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী জামিলার পিতা-মাতা দীর্ঘ তিন বছর যাবত কুমিল্লা শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। মেয়ের লেখাপড়ার সুবিধার্থে তাকে রহিমানগর মিফতাহুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ে রেখে পড়াশোনা করানো হতো।
শাহ আলমের স্ত্রী দীর্ঘ চার বছর ধরে সৌদি আরব প্রবাসী এবং তার ছোট ছেলে বিপ্লবও বর্তমানে প্রবাসে রয়েছেন। সেই সুবাদে শাহ আলম তার প্রবাসী ছেলে বিপ্লবের শূন্য ঘরে একাকী বসবাস করতেন। গত ২০ মে ২০২৬ ইং তারিখে শাহ আলম জামিলার বাবাকে ফোন দিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে বলিয়ে জামিলাকে ঈদের ছুটিতে খিলা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন।
পরবর্তীতে গত ২৫ মে ২০২৬ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১২টার দিকে শাহ আলম তার নাতনি জামিলাকে ডেকে বলে, প্রবাসে থাকা তার দাদীর সাথে ফোনে কথা বলিয়ে দেওয়া হবে। এই উছিলায় তাকে বিপ্লবের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে জামিলার মুখ চেপে ধরে এবং হাতে থাকা চুরির ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পাষণ্ড দাদা শাহ আলম। ঘটনাটি কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়।
"আমি আমার বাবার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই"
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী জামিলা আক্তারের পিতা মোঃ শাহাদাত হোসেন সবুজ বলেন, "আমার নিজের জন্মদাতা বাবা আমার মেয়েকে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এনে এই জঘন্যতম কাজ করবে, তা আমি কল্পনাও করতে পারিনি। আমি আমার পাষণ্ড পিতার কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।"
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জামিলার ছোট চাচী আঁখি আক্তার বলেন, আমার শ্বশুর যে এমন পৈশাচিক ঘটনা ঘটাবেন, তা আমাদের ধারণার বাইরে ছিল। ঘটনাটি শোনার পর আমি স্তব্ধ।
জামিলা আক্তারের মা বলেন, আমার শশুর মোঃ শাহ আলম আমার মেয়ের সাথে যে ঘটনা করেছে আমি দেশবাসী ও প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও সঠিক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।"
এই বিষয়ে কচুয়া থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসামিকে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।
12.00
Normal
0
false
false
false
EN-GB
X-NONE
X-NONE
MicrosoftInternetExplorer4
/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:"Table Normal";
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-priority:99;
mso-style-qformat:yes;
mso-style-parent:"";
mso-padding-alt:0cm 5.4pt 0cm 5.4pt;
mso-para-margin-top:0cm;
mso-para-margin-right:0cm;
mso-para-margin-bottom:10.0pt;
mso-para-margin-left:0cm;
line-height:115%;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:11.0pt;
font-family:"Calibri","sans-serif";
mso-ascii-font-family:Calibri;
mso-ascii-theme-font:minor-latin;
mso-fareast-font-family:"Times New Roman";
mso-fareast-theme-font:minor-fareast;
mso-hansi-font-family:Calibri;
mso-hansi-theme-font:minor-latin;
mso-bidi-font-family:"Times New Roman";
mso-bidi-theme-font:minor-bidi;}
বেতন-ভাতা বৃদ্ধি,
চাকরির
নিরাপত্তা
ও
অন্যান্য
ন্যায্য
দাবি
বাস্তবায়নের
দাবিতে
কর্মবিরতির
হুঁশিয়ারি
দিয়েছেন
বকশীগঞ্জ
ডাক
বিভাগের
কর্মচারীরা।
বৃহস্পতিবার
(২
জুলাই)
সকাল
১১টায়
বকশীগঞ্জ
পোস্ট
অফিস
প্রাঙ্গণে
বাংলাদেশ
ডাক
বিভাগ
কর্মচারী
ইউনিয়ন
(বি/২০৩১)
বকশীগঞ্জ
শাখার
উদ্যোগে
আয়োজিত
প্রতিবাদ
সমাবেশে
এ
ঘোষণা
দেওয়া
হয়।
সমাবেশে
বক্তব্য
দেন
পানাতিয়াপাড়া
শাখা
পোস্টমাস্টার
মো.
মাহাবুর
রহমান
থোকন।
তিনি
বলেন,
“আমরা
সরকারি
চাকরিজীবী
হলেও
মাত্র
চার
হাজার
টাকা
বেতনে
পরিবার
চালানো
অসম্ভব
হয়ে
পড়েছে।
দীর্ঘদিন
ধরে
ডাক
বিভাগের
মহাপরিচালকের
(ডিজি)
কাছে
বেতন-ভাতা বৃদ্ধির
দাবি
জানিয়ে
আসছি।
কিন্তু
আশ্বাস
ছাড়া
কোনো
কার্যকর
পদক্ষেপ
নেওয়া
হয়নি।
তাই
বাধ্য
হয়েই
আন্দোলনের
পথে
নেমেছি।
দাবি
আদায়
না
হলে
আগামী
৬
জুলাই
থেকে
পূর্ণ
কর্মবিরতি
পালন
করব।
প্রয়োজনে
ডাকঘরে
তালা
ঝুলিয়ে
দেওয়া
হবে।”
বক্তারা
বলেন,
স্বল্প
বেতন-ভাতা ও নানা বৈষম্যের
মধ্যেও
ডাক
বিভাগের
কর্মচারীরা
নিষ্ঠার
সঙ্গে
দায়িত্ব
পালন
করে
আসছেন।
কিন্তু
দ্রব্যমূল্যের
ঊর্ধ্বগতির
কারণে
বর্তমান
বেতন-ভাতায়
পরিবার
নিয়ে
জীবনযাপন
অত্যন্ত
দুর্বিষহ
হয়ে
উঠেছে।
তাই
অবিলম্বে
বেতন-ভাতা বৃদ্ধি,
ন্যায্য
সুযোগ-সুবিধা
নিশ্চিতকরণ
এবং
চাকরিসংক্রান্ত
বিভিন্ন
সমস্যার
দ্রুত
সমাধানের
দাবি
জানান
তারা।
সমাবেশে
আরও
জানানো
হয়,
সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষ
দ্রুত
কার্যকর
পদক্ষেপ
না
নিলে
কেন্দ্রীয়
কর্মসূচির
অংশ
হিসেবে
কঠোর
আন্দোলন
ও
পূর্ণ
কর্মবিরতি
পালন
করা
হবে।
এদিকে
শাখা
ডাকঘর
কর্মচারীদের
*দুই
দফা
দাবি*
আদায়ে
ঘোষিত
পূর্ণ
কর্মবিরতি
(হরতাল)
কর্মসূচির
প্রতি
সমর্থন
জানিয়ে
*২১
জন
কর্মচারী
স্বেচ্ছায়
স্বাক্ষর*
করেন।
🌿 চারপাশে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য, শান্ত পরিবেশ আর দিগন্তজোড়া সবুজে ঘেরা এই রাস্তাটি সত্যিই মুগ্ধ করার মতো। পথের দু’পাশে গাছপালা, হালকা বাতাস আর নীরবতার মাঝেই যেন খুঁজে পাওয়া যায় প্রশান্তি। ভ্রমণপিপাসু কিংবা প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি এক অসাধারণ অনুভূতি, যেখানে প্রতিটি মুহূর্ত হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়।





