১৬৩ বছরের পুরোনো অপরূপ সৌন্দর্যের চিনি মসজিদ
শর্টস তৈরি করুন
মসজিদের দেয়ালে
চীনামাটি ও কাঁচের ভগ্নাংশ বসানো। এসব দিয়ে অঙ্কিত হয়েছে ফুলদানি, ফুলের ঝাড়, গোলাপ
ফুল, একটি বৃত্তে একটি ফুল, চাঁদতারাসহ নানা চিত্র। নির্মান কাজে ব্যবহার হয়েছে মার্বেল
পাথর। নানান কারুকার্যে সাজানো ওই মসজিদের রয়েছে ২৭টি মিনারসহ ৩টি বড় গম্বুজ।
নীলফামারীর সৈয়দপুর
শহরে মসজিদটি নির্মিত হয় ১৬৩ বছর আগে। অপরূপ সৌন্দর্য্যরে ওই মসজিদের নাম চিনি মসজিদ।
নির্মানকাজে চীনামাটির ব্যবহারে অনেকের কাছে চীনা মসজিদ নামে পরিচিত।
রেলের
শহর হিসেবে খ্যাত সৈয়দপুর শহরে মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল ১৮৬৩ সালে। সেই সময়ে মসজিদের
নির্মাণকাজ শুরু করেন হাজি বাকের এবং হাজি মুকু নামের দুই ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। জনশ্রুতি
আছে এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মুষ্ঠির চাল সংগ্রহের মাধ্যমে মসজিদটির নির্মান
কাজ শুরু হয়। নির্মানকাজে অর্থের প্রয়োজন হলে এলাকাবাসী স্বেচ্ছায় অর্থের যোগান দিতে
শুরু করেন।
কালিয়াকৈরে বৃষ্টি বিঘ্নতার মাঝেই রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফার আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিকল্পে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত।
গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি
গাজীপুর কালিয়াকৈরে মৌচাক ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে রাষ্ট্রকাঠামো গঠনকল্পে ৩১ দফার আলোকে কর্মীসভা ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক প্রস্তুতি কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়।মৌচাক ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এ্যাড: কামরুজ্জামান কামরুলের সভাপতিত্বে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে উক্ত কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল"সাংগঠনিক সম্পাদক(ঢাকা বিভাগ) জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিএনপি এবং প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব হুমায়ুন কবির খান' শ্রম বিষয়ক সহ সম্পাদক,বি.এন.পি কেন্দ্রীয় কমিটি,এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিয়াকৈর পৌরসভার সাবেক মেয়র জনাব মজিবুর রহমান ও কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন,জনাব সাইজুদ্দিন আহমেদ সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কালিয়াকৈর পৌর বিএনপি.. আরো উপস্থিত ছিলেন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, ছাত্রদল সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।
বরিশালের বানারীপাড়ায় অকেজো হয়ে পড়ে আছে বাসস্ট্যান্ডের যাত্রী ছাওনি। এতে চড়ম দূর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা। বানারীপাড়া-বরিশাল স্বরূপকাঠি রুটের মধ্যবর্তী স্ট্যান্ড বানারীপাড়া বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাওনি হয়ে পড়েছে। এক সময় এখানে ছিল একটি নির্দিষ্ট টিকিট কাউন্টার ও যাত্রীদের বসার জন্য যাত্রী ছাওনী। কিন্তু এখন অযত্ন, অবহেলায় অকেজো সেই টিকেট কাউন্টার যার কারনে চায়ের দোকানের সামনে অস্থায়ী টিকেট কাউন্টার থেকে টিকেট কাটতে হয়। এতে যাত্রীরা পড়েছে চড়ম দুর্ভোগে। কারন কাউন্টারের সামনে রয়েছে সদর রাস্তা। এখান থেকে মটর সাইকেল, মাহেন্দ্রা গাড়ি, অটো গাড়ি সহ সব গাড়ি চলা করে। একদিকে রাস্তায় জ্যামলেগে যায় অন্য দিকে টিকেট কাটতে গিয়ে অসাবধানতায় ঘটতে পারে দূর্ঘটনা। এছাড়াও পূর্বের টিকেট কাউন্টারটি সংস্কার করে পূনরায় চালু করা গেলে কমবে দূর্ঘটনার আশংকা তার সাথে কমবে যাত্রীদের দূর্ভোগ। অপর দিকে বাসের জন্য অপেক্ষার জন্য যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্দিষ্ট যাত্রীছাওনি থাকলেও অকেজো হয়ে পড়ে আছে দীর্ঘদিন যাবত টিকেট সংগ্রহ করে অপেক্ষার করতে হচ্ছে চায়ের দোকানে। বাস আসলে ঝুকি নিয়ে যাত্রীদের সাথে থাকা ব্যাগ ও বাচ্চাদের নিয়ে ব্যাস্ত রাস্তা পার হয়ে বাসে উঠতে হচ্ছে। এতে করে আরো বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। তাই সাধারণ যাত্রীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি টিকেট কাউন্টার ও যাত্রীছাওনী সংস্কার করে পূনরায় চালু করা গেলে কমবে যাত্রীদের দূর্ভোগ।




