শ্যামনগরে শতবর্ষী গিরিধরের চড়ক পূজা
Calção Crio
শ্যামনগরে শতবর্ষী গিরিধরের চড়ক পূজা
শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের কোলঘেঁসা মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের জেলেখালি গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় শতবর্ষ কাল পূর্বে চড়ক পূজা কেন্দ্র করে ছোট্ট একটি পরিচয়ের একটি মেলা হতো, শেষ পর্যন্ত গিরিধারী চড়ক মেলা নামে পরিচিতি লাভ করেছে। বিভিন্ন সময়ের পালা বদলে বাংলা নববর্ষ ও দক্ষিণবাংলায় গিরিধারী চড়ক মেলায় এলাকার মানুষের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা বয়ে চলেছে দীর্ঘকাল। চৈত্র সংক্রান্তের শেষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গিরিধারী চড়ক মেলা। দক্ষিণবাংলায় শ্যামনগরে গিরিধারী সড়ক মেলা ইতিহাস খ্যাত। এছাড়া শ্যামনগরে উপজেলায় আটটি স্থানে চড়ক মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০২৫ সালে অর্থাৎ ১৪৩২ বঙ্গাব্দে চৈত্রমাসে চড়কপূজার শতবর্ষ পূর্ণ হলো। সেই উপলক্ষ্যে অতীতের সোনালি দিনগুলোকে তুলে ধরার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। সাথে গিরিধারে চড়ক মেলা পূজা উদযাপন কমিটির জন্মের লেখক শিক্ষক দেবপ্রসাদ মন্ডল ও নব কুমার মন্ডল তাদের তথ্য অনুসন্ধানে কাজটি আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে ।
বাংলাদেশের বাঙালিদের অতি প্রাচীনতম লোক উৎসব চড়ক পূজা শিবের গাজন। ক্রমে ক্রমে ব্রাহ্মণ পুরোহিতরা এই গাজনকে শিব উৎসবে পরিণত করেছেন। শিবক্রমে প্রধান গ্রাম দেবতা গাজন সহজে শিবের গাজন নামে পরিণত লাভ করে। পন্ডিতেরা মনে করেন যে গাজন ও গাজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চড়ক উৎসব আদিম সমাজ থেকে এসেছে।
বাগেরহাটে ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার গাংনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শিকদার উজির আলী এবং প্যানেল চেয়ারম্যান জুয়েল এর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে স্থানীয় বাসিন্দা ও ইউপি সদস্যরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গাংনী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য জাকির বিশ্বাস, ৫নং ওয়ার্ড সদস্য ফারুক আহমেদ, ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মো. হান্নান, ৭নং ওয়ার্ড সদস্য আলী আহমেদ শেখ, ৮নং ওয়ার্ড সদস্য হাফিজুর রহমান ও ৯নং ওয়ার্ড সদস্য হাবিবুর রহমানসহ এলাকাবাসী।
বক্তারা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর শিকদার উজির আলী স্বেচ্ছাচারিতা শুরু করেছেন। তিনি ইউনিয়নের জনগণের কোনো সেবা দেন না, বরং সেবা নিতে গেলে ঘুষ দিতে হয়। ট্যাংকি, টিউবওয়েলসহ বিভিন্ন প্রকল্পের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়া পরিষদে তিনি নিয়মিত আসেন না, ফলে ইউনিয়নের জনগণ বঞ্চিত হচ্ছে মৌলিক সেবা থেকে।
৭নং ওয়ার্ড সদস্য আলী আহমেদ শেখ অভিযোগ করে বলেন, “চেয়ারম্যান এত বেশি স্বেচ্ছাচারিতা করেছে যা বর্ণনা করা কঠিন। পরিষদের ব্যাংকে থাকা প্রায় ৬ লাখ টাকা তিনি তুলে আত্মসাৎ করেছেন। এমনকি আড়াই বছর ধরে ইউপি সদস্যদের সম্মানী ভাতা দেননি।”
বক্তারা যেকোনো মূল্যে বর্তমান চেয়ারম্যানকে অপসারণ করে ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানান। তাদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ আরও সেবা থেকে বঞ্চিত হবে এবং দুর্নীতির শিকার হবে।





